আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৩:৪২

জাতীয় ‘আলিঙ্গন নেতা’র খেতাব পেলেন মোদি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জাতীয় ‘আলিঙ্গন নেতা’র খেতাব পেলেন মোদি!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে একজন আলিঙ্গন নেতা হিসেবে খেতাব দিয়েছে তার নিজ দেশেরই লোকজন।

দাপ্তরিকভাবে স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক যে নেতার সঙ্গেই সাক্ষাৎ হোক না কেন, মোদি তাকে আলিঙ্গন করবেনই!

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়াঁ ওলাঁদ এ সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এলে মোদির আলিঙ্গন-প্রিয়তা আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতীয় অন্যসব নেতার চেয়ে একটু বেশিই ‘আমোদী’। সাধারনত সব বিশ্বনেতাকেই উষ্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে জড়িয়ে ধরেন তিনি।

তবে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী ফরাসি প্রেসিডেন্টকে অত্যন্ত ‘বিশ্রীভাবে’ আলিঙ্গন করেছেন। বুকে জড়িয়ে ধরার পর ওলাঁদ যখন মোদির দিক থেকে বিপরীত দিকে ঘুরছিলেন, তখন মোদি পেছন থেকে ওলাঁদের কোমর জড়িয়ে ধরেন! এমন আলঙ্গিনের দৃশ্যটি উপস্থিত ফটোগ্রাফাররা সঙ্গে সঙ্গেই ক্যামেরাবন্দী করেন। কিছু সময়ের মধ্যেই ছবিটি ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অনেক ভারতীয় মোদির এই অস্বাভাবিক আচরণে লজ্জা পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মোদিকে ব্যঙ্গ করে টুইট করেছেন। মোদি পেছন থেকে ওলাঁদকে জড়িয়ে ধরার ছবি পোস্ট করে স্বচ্ছ পলিটিক্স নামে একটি আইডি থেকে টুইট করা হয়েছে- ‘মিস্টার ও মিসেস ওঁলাদ পানিপথ ভ্রমণে যাচ্ছেন’।

নেহা নামের একজন লিখেছেন, ‘পৃথিবীতে মোদিই একমাত্র ব্যক্তি- যে জাহাজ ছাড়াই টাইটানিক ছবি পুর্ননির্মাণ করতে পারে’।

আব্দুল্লাহ নামের আরেকজন প্রবাসী ভারতীয় লিখেছেন, ‘ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে কেন বলা হয়নি আলিঙ্গন ফরাসি সংস্কৃতি নয়। আর পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা তো লজ্জাজনক’।

তবে মোদি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যত বিশ্বনেতার সঙ্গে মিলিত হয়েছেন সবাইকেই আলিঙ্গন করেছেন এবং তিনি এটা বন্ধ করবেন বলেও মনে হয় না।

কেউ কেউ তাকে জাতীয় আলিঙ্গন নেতা বলে টিটকিরি মারতেও ছাড়েনি।

এ ব্যাপারে মোদির জীবনী লেখিকা নীলাঞ্জনা মুখোপাধ্যায় বলেন, মোদি আলিঙ্গনের মাধ্যমে সবাইকে একটি বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেন। তা হলো, যাদের সঙ্গে মোদি সাক্ষাৎ করেন, তারা আর মোদি একই লেভেলের। তিনি বিশ্বকে জানানোর চেষ্টা করেন, ‘তিনি সমান, বন্ধু এবং আন্তরিক’।

সংবাদসূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/পিএম

উপরে