আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৪:২১

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ার পথে? আমেরিকার প্রশংসা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ার পথে? আমেরিকার প্রশংসা!

পরমানু ইস্যুতে ইরান সঠিক পথেইে আছে বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। গত জুলাই মাসে বিশ্বের ছয় পরাশক্তি রাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান একটি পরমানু চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

আমেরিকার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সোমবার প্রায় ১১ টনের বেশি ‘নিম্ন সমৃদ্ধ’ ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় পাঠানোর পর কেরি ইরানের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, “বিপুল পরিমান ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর মাধ্যমে পরমানু ইস্যুতে ইরানের দেওয়া অঙ্গিকার অনুযায়ী তারা গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।”

চুক্তি অনুযায়ী, ইরান তাদের কাছে থাকা স্বল্প সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পরিমান হ্রাস করতে সম্মত হয়েছিলো।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়া আর আমেরিকা হাত মিলিয়ে ইরানকে ‘খোঁড়া’ করে দিয়েছে। ভেঙে দেওয়া হয়েছে তাদের ‘বিষ দাঁত’! অদূর ভবিষ্যতে ইরানের পক্ষে আর পরমাণু অস্ত্র বানানো সম্ভব হবে না বলেও মত দিয়েছেন তারা।

তুলনায় কম শক্তিশালী হলেও, তেহরানে তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম আইসোটোপের যতটা মজুত ছিল, তার প্রায় পুরোটাই ইরান থেকে রুশ জাহাজে চাপিয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে শর্ত ছিল, তেহরানে পরমাণু অস্ত্র বানানোর জন্য জরুরি যতটা ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, তার পুরোটাই ইরান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

শর্ত পূরণ হলে ইরানের ওপর থেকে তুলে নেওয়া হবে প্রায় এক দশক ধরে জারি থাকা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। যার ফলে, ইরান এ বার বিশ্বজুড়ে তার ইচ্ছামাফিক পরিমাণ ও দামে খনিজ তেল বেচতে পারবে।

গত সাত বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পর আগামী বছর আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ইরানকে পারমাণবিক ভাবে ‘খোঁড়া’ করে দেওয়াটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বৈদেশনীতির সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/পিএম/একে

উপরে