চলতি বছরেই পাসপোর্টের মেয়াদ হচ্ছে ১০ বছর, বাড়ছে পাতা | BD Times365 চলতি বছরেই পাসপোর্টের মেয়াদ হচ্ছে ১০ বছর, বাড়ছে পাতা | BdTimes365
logo
আপডেট : ১৫ মে, ২০১৯ ১৯:১৪
চলতি বছরেই পাসপোর্টের মেয়াদ হচ্ছে ১০ বছর, বাড়ছে পাতা
অনলাইন ডেস্ক

চলতি বছরেই পাসপোর্টের মেয়াদ হচ্ছে ১০ বছর, বাড়ছে পাতা

এ বছরই চালু হচ্ছে ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট। পাশাপাশি আগামী জুলাই থেকে চালু হবে ই-পাসপোর্ট।

বুধবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটির সভাপতি ফারুক খানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আব্দুল মজিদ খান, নাহিম রাজ্জাক এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশ নেন।

গত কয়েক বছর ধরে পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে সরকারের বিভিন্ন দফতরে আলোচনা চলছিল।

প্রবাসী শ্রমিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করার বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করা হলে এতে পাতার সংখ্যাও বাড়বে। বর্তমানে পাসপোর্টে রয়েছে ৪৮ পাতা।

এদিকে গত বছর ই-পাসপোর্ট তৈরিতে জার্মান কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে পাসপোর্ট ও বহির্গমন অধিদফতর।

সোয়া তিন হাজার কোটি টাকায় বাংলাদেশকে ই-পাসপোর্ট ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহের কাজটি পেয়েছে জার্মান প্রতিষ্ঠান ভেরিডোস।

এ বিষয়ে বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এই বছরের মধ্যেই ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট চালু হবে। আর আগামী জুলাই থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া শুরু হবে।

অভিযোগের দায় নিতে চায় না পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বৈঠকে দূতাবাসগুলোর বিরুদ্ধে প্রবাসী কর্মীসহ অন্যদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগের দায় এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বেশির ভাগ অভিযোগ অন্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দাবি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছে।

তবে কমিটি বলেছে, দেশের বাইরের যেকোনও ঘটনার সঙ্গে দূতাবাসগুলোর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কাজেই তারা দায় এড়াতে পারে না। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি ফারুক খান বলেন, বিদেশে দূতাবাসগুলো নিয়ে মূল অভিযোগ আসে শ্রমিকসংক্রান্ত ও পাসপোর্ট বিষয়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, পাসপোর্ট দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর লেবার উইংয়ের কাজ করে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

তবে কমিটি বলেছে, বিদেশ মানেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যেকোনও অভিযোগের বিষয়ে দূতাবাসকে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

কমিটি দূতাবাসগুলোতে জনবলের চাহিদা মেটাতে সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে বলেছে বলেও জানান সভাপতি। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সুপারিশ করেছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম