নয়নজলে ভাসলেন মাবিয়া, দেশের মুখ মলিন করে নয়, উজ্জ্বল করে! | BD Times365 নয়নজলে ভাসলেন মাবিয়া, দেশের মুখ মলিন করে নয়, উজ্জ্বল করে! | BdTimes365
logo
আপডেট : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২১:৪৮
নয়নজলে ভাসলেন মাবিয়া, দেশের মুখ মলিন করে নয়, উজ্জ্বল করে!
বিডিটাইমস ডেস্ক

নয়নজলে ভাসলেন মাবিয়া, দেশের মুখ মলিন করে নয়, উজ্জ্বল করে!

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজছে, আর মেয়েটা ক্রমাগত কেঁদে চলেছে। দক্ষিন এশিয়ার মাঝে শ্রেষ্ঠ হয়ে কোথায় আনন্দে হাসবে; সেটা না করে মেয়েটি কেঁদে চলেছে।

তিনটি পতাকার মধ্যে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাও উড়ছে সবার ওপরে। পোডিয়ামের সবচেয়ে উঁচু চূড়ায় দাড়াতেই যখন বেজে উঠল জাতীয় সঙ্গীত, 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি...।' কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারছিলেন না তিনি। জাতীয় সঙ্গীত শুনে নয়নজলে ভাসলেন মাবিয়া আক্তার। তবে দেশের মুখ মলিন করে নয়, ভারোত্তোলনে স্বর্ণপদক জিতে দেশের নামটি উজ্জ্বল করে! এই কান্না আনন্দের।

দেশের বাইরে জাতীয় সংগীত বেজে উঠলে এমন আবেগ তো ছুঁয়ে যেতেই পারে! এই আনন্দাশ্রু সঙ্গে করেই রোববার গুয়াহাটির ভোগেশ্বরী ফুকানানি ইনডোর স্টেডিয়ামে দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখলেন মাবিয়া। জিতে নিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিকের শ্রেষ্ঠত্ব। এই গর্ব শুধু গোল্ড মেডেল পাওয়া মাবিয়ার না, গোটা বাংলাদেশের!

মাবিয়া সোনা জেতার স্বপ্ন নিয়েই গিয়েছিলেন ভারতের আসামে। কিন্তু লক্ষ্যটা এখানেই শেষ নয়। তার স্বপ্নটা আরো অনেক বড়। অলিম্পিকে দেশের হয়ে স্বর্ণ জয় করতে চান তিনি।

মাবিয়ার কোচ ছিলেন তার মামা শাহাদাৎ কাজী। তিনিই তার মধ্যে বুনে দিয়েছিলেন দেশের জন্য সাফল্য এনে দেয়ার স্বপ্ন। ২০১১ সালে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক আসরে নামেন মাবিয়া। শুরুতেই জাতীয় ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হন। এরপর নেপালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক আসর সাফ ভারোত্তোলনে জেতেন ব্রোঞ্জ।

২০১৩ সালে মালয়েশিয়ায় কমনওয়েলথ ভারোত্তোলনে জুনিয়র বিভাগে রৌপ্য পান তিনি। তারপরও আন্তর্জাতিক আসর পদক জিতেই চলেছেন তিনি। ২০১৪ সালের জাতীয় ভারত্তোলন প্রতিযোগিতায় তিনটি জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন মাবিয়া। মাদারীপুরের মেয়ে মাবিয়া এবার জয় করলেন ভারত। ভিডিওতে দেখুন মাবিয়া’র সেই আবেগঘন সময়:

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম