আপডেট : ২৫ মে, ২০১৮ ০৮:৩৬

প্রতিদিন হোক একগ্লাস হলুদ-দুধ

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিদিন হোক একগ্লাস হলুদ-দুধ

দিনে দিনে ওজনের চাপে শরীর ভারি হয়ে যাচ্ছে বলে যাদের চিন্তার শেষ নেই, তারা ওজন কমাতে কত চেষ্টাই না করেন। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরেও সুফল মেলে না মনের মতো। তাহলে আজ থেকেই শুরু করে দিন হলুদ আর দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া। কারণ এতে মিলবে এই উপকারগুলো:

মেটাবলিজম বাড়ায়

হলুদে থাকা থারমোজেনিক প্রোপার্টি মেটাবোলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। এই মশলাটি অনেকটাই আদার মত। এতে থাকে সোগাওল এবং জিনগারোল আছে যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে থাকে, ফলে ওজন কমতে থাকে।

আছে ডায়েটারি ফাইবার

হলুদে ডায়েটারি ফাইবার আছে। যা আমাদের ওজন বৃদ্ধি ব্যাহত করে। সেই সঙ্গে ফ্যাট কমিয়ে দেয়।  আর তাই দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলে হলুদের কার্যকারিতা আরও বহুগুনে বেড়ে যায়।

প্রোটিনের উৎস হলুদ-দুধ

ওজন কমাতে চাইলে শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকা উচিৎ। আমরা সবাই জানি যে দুধে প্রচুর প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম থাকে। সেজন্য ওজন কমাতে চাইলে শরীরের মাংসপেশি এবং হাড় সুস্থ রাখার জন্য দুধ খাওয়া জরুরি।

হজমক্রিয়া বাড়ায়

ওজন কমানো চেষ্টায় সবচেয়ে বড় বাধা হলো হজমে গণ্ডগোল হওয়া। ডায়েট কন্ট্রোল করতে গিয়ে অনেক খাবার এড়িয়ে চলা হয় বলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। হলুদ-দুধ এই সমস্যা সমাধান করে দেয়। নিয়মিত হলুদ দুধ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয় এবং হজমের সমস্যা দূর হয়।

শরীরে চর্বি জমতে দেয় না

আমাদের শরীরের অ্যাডিপোজ টিস্যুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি ফ্যাট জমিয়ে রাখে। এর ফলে ওজন হু হু করে বেড়ে যায়। হলুদে থাকা সারকিউমিন  অ্যাডিপোজ টিস্যুকে চর্বি ধরে রাখতে দেয় না। তাই নিয়মিত হলুদ দুধ পান করতে হবে।

কীভাবে খাবেন হলুদ-দুধ

কাঁচা হলুদের কার্যকারিতা গুড়া হলুদের চেয়ে বেশি। তাই হলুদ-দুধ পান করার ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদের রস ব্যবহারের চেষ্টা করুন। মেদ কমানোর জন্য প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সঙ্গে হলুদের রস মিশিয়ে পান করুন। সেই সঙ্গে সুষম খাবার খান এবং পর্যাপ্ত হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করুন। এতে করে অল্প সময়েই ওজন কমে যাবে।

উপরে