আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৫৮

ফেসবুকে বাড়ে বিষন্নতা!

স্বাস্থ্য
ফেসবুকে বাড়ে বিষন্নতা!

ফেসবুক! এখন আমাদের জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। ফেসবুক বিহীন একটা দিন চিন্তা করা খুব কষ্ট কর। প্রতিদিন কত সময় আমরা ফেসবুকে নষ্ট করি তা হয়তো হিসাব আমরা দিতে পারব না। রাতে ঘুমাবার আগে একবার ফেসবুকে লগইন না করলে যেন ঘুমই আছে না। কিন্তু আপনি ফেসবুকে যত সময় দিবেন আপনার বিষন্নতা তত বেড়ে যাবে। এইটা আমি বলছিনা, এক গবেষণাতে পাওয়া গেছে। ১৯ বছরের থেকে ৩২ বছর মানুষদের নিয়ে এই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়।

গবেষনাতে দেখা দেখে যারা ঘনঘন ফেসবুকে ব্যবহার করেন তাদের থেকে যারা ফেসবুক ব্যবহার করেনা তাদের বিষণ্ণতা ২.৭ শতাংশ কম। ১৭৮৭ জন যুক্তরাষ্টের ব্যক্তি নিয়ে এই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। তারা দৈনিক গড়ে ৬১ মিনিট ফেসবুকে অতিবাহিত করেন এবং সপ্তাহে ৩০ বার ফেসবুকে প্রবেশ করেন। এবং তাদের বিষন্নতা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশী। এমন অনেক ব্যক্তি ইতোমধ্যে পাওয়া যায় যার ফেসবুকের কারনে বিষন্নতা রোগে ভুগছেন।

যারা প্রচুর পরিমাণে সোশ্যাল মিডিতে ব্যবহার করে তারা একসময় তাদের আশেপাশের সব কিছুকেই ভ্যার্চুয়াল মনে করেন। বাস্তবতা আর ভ্যার্চুয়ালের মাঝে পার্থক্য করতে পারেন না।

পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনায় দেখা যায় বর্তমানে বিশ্বে ১১ টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে যারা খুব জনপ্রিয়। ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, গুগল প্লাস, ইনস্টাগ্রাম, স্নেপচ্যাট, রেবিট, টাম্বলার, করুন, ভাইন এবং লিঙ্কডইন.  বর্তমানে সক্রিয়ভাবে বিলিয়নেরও বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। আর টুইটারে ব্যবহার করে ৩২০ মিলিয়ন মানুষ।

ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে এক সতর্কমূলক বানী প্রকাশ করেছেন। সবাইকে এই ব্যপারে সচেতন হবার করা বলেন তারা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে আমরা চাইলেই ব্যবহার বন্ধ করে দিতে পারি না। সত্যিই এর ব্যবহার আমাদের বর্তমান জীবনে প্রয়োজন আছে। তবে সেই প্রয়োজনটা এত বেশী নয় যে, নিজেদের সুস্থ্য স্বাভাবিক সুন্দর জীবন বিলিয়ে দিতে হবে। কি কারনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করব এবং কতটুকু ব্যবহার করব তার সবটুকুর নিয়ন্ত্রন আমাদের হাতে রাখাতে হবে।                 

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/ এএ 

উপরে