আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২১:৫৯

পঁচিশের পরে মশা ওড়ার শব্দ শুনতে পায় না মানুষ

বিডিটাইমস ডেস্ক
পঁচিশের পরে মশা ওড়ার শব্দ শুনতে পায় না মানুষ

বয়স যখন ২৫ ছুঁইছুঁই কেউ কী খেয়াল করেছেন; মশা পাশ দিয়ে ওড়াউড়ি করলেও এর শব্দ শুনতে পান কি না? পাবেন না। কারণ ২৫ বছর বয়স থেকেই মানুষের শব্দ গ্রহনের ক্ষমতা লোপ পেতে শুরু করে। শব্দ নিয়ে কাজ করেন মার্কিন যুক্তরাষ্টের একদল বিজ্ঞনীদের আবিস্কার এটি। খবর যুক্তরাজ্যের মেট্রো ডট কমের।
বয়স লুকানের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে আজকাল। যেমন কসমেটিক সার্জারী, চোখে দেখার জন্য কন্ট্যাক্ট লেন্স। কিন্তু পঁচিশের পর থেকে কানের মধ্য দিয়ে মস্তিস্কে কিছু নিন্ম মাত্রার শব্দ তরঙ্গ যেতে পারে না। এবং এই অবস্থা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হতে থাকে। একারণেই বৃদ্ধ বয়সের মানুষরা কানে কম শোনেন বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আর এটাও সত্য যত কিছুই লুকান না কেনো, শুনতে পারছেন না এ বিষয়টি কিন্তু লুকানো যায় না।
‘যখন থেকে আপনি কানে কম শুনতে পাবেন তখন থেকেই ধরে নেবেন আপনি বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন।’ বললেন যুক্তরাষ্টের ওই বিজ্ঞানী
বয়স যখন পঁচিশের উপরে, তখন থেকে আপনি মশার শব্দ করে এমন ১৭.৪ কিলোহার্ডজের উপরের কোন শব্দ শুনতে পাবেন না। পঁচিশের পর থেকে মানুষের শ্রবন শক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে। বয়স যখন চল্লিশ পার হবে তখন ১৫ কিলোহার্ডজের উপরের শব্দ আপনার ভূবন থেকে হারিয়ে যাবে। আর পঞ্চাশের উপরের মানুষরা ১২ কিলোহার্ডজের উপরের শব্দ শুনতে পায় না।
এক গবেষণায় দেখা গেছে শ্রবণ শক্তির ক্ষতি মুলত শব্দের মাত্রা ও সময়ের ওপর নির্ভর করে। মানুষের কানের জন্য নিরাপদ শব্দসীমার মাত্রা হচ্ছে আট ঘণ্টায় ৮৫ ডেসিবল। এর বাইরে চলে যাওয়া যেকোন শব্দমাত্রাই মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর।

এবার জেনে নেই কোন জিনিষ কত মাত্রার শব্দ সৃষ্টি করে।

বৃষ্টির ফোটা: ৪০ ডেসিবল
সাধারণ কথাবার্তা: ৬০ ডেসিবল
সড়কে ব্যস্ত ট্রাফিক: ৮৫ ডেসিবল
হেয়ার ড্রায়ার: ৯০ ডেসিবল
হার্ডরক কনসার্ট: ১০৫ ডেসিবল

উপরে