আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৭:৫২

শীতে ত্বকে চুলকানিজনিত সমস্যায় করণীয়

বিডিটাইমস ডেস্ক
শীতে ত্বকে চুলকানিজনিত সমস্যায় করণীয়

শীত এলেই ত্বক শুষ্ক হয়ে বাড়ে চুলকানির প্রবণতা। এক্ষেত্রে চুলকানির মূল কারণ হচ্ছে- শীতের প্রভাবে ত্বক অধিক পরিমাণে শুষ্ক হয়ে যাওয়া। আর এ শুষ্কতার কারণ হচ্ছে বাতাসে যেহেতু শীতকালে জলীয় বাষ্প কমে যায় তাই বায়ুমন্ডল ত্বক থেকে পানি শুষে নিয়ে যায় ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং ত্বকে চুলকানি শুরু হয়।

সেই চুলকানি আরো বেড়ে যায় যখন নখ বা অন্য কিছু দিয়ে বারবার চুলকানো হয়। মনে রাখতে হবে আপনি যতই চুলকাবেন চুলকানির গতি ততই প্রবল হতে থাকবে। তাই নখ দিয়ে কখনই চুলকানো উচিত নয়। যদি একান্তই অসহ্য হয় তবে সে ক্ষেত্রে হালকাভাবে হাতের তালু দিয়ে চুলকানো যেতে পারে।

যদি শুষ্কতার কারণেই এরকম চুলকানি দেখা দেয় তাহলে ভালো কোনো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক ভালো থাকে। ময়েশ্চারাইজার পাওয়া না গেলে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলেও ত্বক ভালো থাকে। এ সময় ত্বকে পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। তারপরেও চুলকানি বেড়ে গেলে এর প্রতীকার অবশ্যই আছে। সময়মত কিছু ব্যবস্থা নিলে  মুক্তি পাবেন বিরক্তিকর চুলকানি থেকে।

নিম:

নিমপাতা ছেঁচে রস বের করে ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিমে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল পদার্থ দূর করবে চুলকানি।

হলুদ:

হলুদ বেটে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে লাগান ত্বকে। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ১৫ মিনিট পর। হলুদের প্রাকৃতিক গুণ চুলকানির উপসর্গ কমাবে।

অ্যালোভেরা:

আলোভেরার ভেষজ গুনাগুণ দূর করে চুলকানি। তাজা অ্যালোভেরা থেকে জেল সংগ্রহ করে ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ভিনেগার:

ভিনেগারে রয়েছে এসিড যা চুলকানির মহৌষধ। ছোট তুলার বল ভিনেগারে ডুবিয়ে ত্বকে লাগান। দিনে দুইবার করলে মুক্তি পাবেন চুলকানির সমস্যা থেকে।

অলিভ অয়েল:

চুলকানির জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে অলিভ অয়েল। ত্বকে অলিভ অয়েল লাগান ঘষে ঘষে। কিছুক্ষণ পর পরিষ্কার করে ফেলুন।

চুলকানি সাবকপ্টি স্ক্যাবি এক ধরনের জীবাণু দিয়ে সংক্রমিত হয়। অনেকেই এই চুলকানিকে অ্যালার্জি ভেবে ওষুধ সেবন করেন। এই চুলকানি শরীরে বিভিন্ন স্থানে দেখা দিতে পারে। যদি রোগ খারাপ দিক নির্দেশনা করে, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে