আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১০:৩১

নেইমার-সুয়ারেজে বার্সার বড় জয়

অনলাইন ডেস্ক
নেইমার-সুয়ারেজে বার্সার বড় জয়

লা লিগায় আরেকটি জয়ের ধারাতেই রয়েছে বার্সেলোনা। তবে দুর্বল লাস পালমাসের মাঠে লুইস এনরিকের দলের ২-১ গোলের জয়টা গত কয়েকটি ম্যাচের মতো দাপুটে হয়নি।

ম্যাচের শুরুর দিকেই লুইস সুয়ারেস বার্সেলোনাকে এগিয়ে নিলেও সমতা ফেরাতে দেরি করেনি স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের শেষের দিকে জয়সূচক গোলটি করেন নেইমার।

সুয়ারেস বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট না করলে অবশ্য বড় ব্যবধানে জিততে পারতো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেওয়া গোলটি করেন সুয়ারেস। ইনিয়েস্তা দারুণভাবে বল পাঠান বাঁ দিকে থাকা জরদি আলবাকে। বার্সেলোনা ফুলব্যাকের নীচু ক্রস থেকে ঠাণ্ডা মাথায় জালে বল পাঠিয়ে দেন সুয়ারেস।
লা লিগার এই মৌসুমে সুয়ারেসের গোল হলো সর্বোচ্চ ২৫টি। ২১টি গোল নিয়ে তার পরে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

দশম মিনিটেই গোলটি শোধ করে দেয় পালমাস। জোনাথান ভিয়েইরার বুদ্ধিদীপ্ত ফ্লিকে বল পেয়ে নীচু শটে গোলরক্ষক ক্লাওদিও ব্রাভোকে ফাঁকি দেন উইলিয়ান হোসে।

১৭তম মিনিটে ইনিয়েস্তার শট দারুণ দক্ষতায় ফেরান পালমাস গোলরক্ষক। ১০ মিনিট পর গোলের সহজ একটি সুযোগ নষ্ট করেন সুয়ারেস। মেসির উঁচু করে বাড়ানো বলে ফাঁকায় দাড়ানো সুয়ারেসের হেড পোস্টের একটু বাইরে দিয়ে যায়। অবিশ্বাসে মাথায় হাত দিয়ে পোস্টের কাছে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ড।

৩৯তম মিনিটে নেইমার আবার এগিয়ে দেন বার্সেলোনাকে। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডি-বক্সের ভেতর থেকে সুয়ারেসের নীচু ক্রসে মেসি শট নিলেও তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন গোলরক্ষক। ফিরতি বল জালে পাঠিয়ে দেন ব্রাজিল অধিনায়ক। লা লিগার এই মৌসুমে তার গোল হলো ১৮টি।
৪১তম মিনিটে গোলের আরেকটা সুযোগ নষ্ট করেন সুয়ারেস। ডি-বক্সের ভেতর ফাঁকায় বল পেয়েও শট না নিয়ে মেসিকে দেন তিনি! মেসির শট লাগে ডিফেন্ডারের গায়ে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খুব কাছ থেকে সুয়ারেসের শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক হাভি ভারাস। হতাশায় সুয়ারেস এবার লাথি মারেন পোস্টে! ৫৬তম মিনিটে নেইমারের ক্রসে ওভারহেড কিক দেওয়ার চেষ্টা করে সফল হননি তিনি।

৬০তম মিনিটে সমতা ফেরানের দারুণ একটা সুযোগ হারায় লাস পালমাস। ভিয়েইরার শট ব্রাভো ফিরিয়ে দিলে বল পেয়েছিলেন উইলিয়ান হোসে। কিন্তু কাছ থেকেও সাইড নেটে বল মারেন তিনি।
ম্যাচের শেষে দিয়ে আরো কয়েকটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ বাঁশি বাজলে বার্সেলোনা যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচে।

এই জয়ে ২৫ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে অনেকটা এগিয়ে গেল শিরোপা প্রত্যাশী বার্সেলোনা। একটি করে ম্যাচ কম খেলা আতলেতিকো মাদ্রিদ আর রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট যথাক্রমে ৫৪ ও ৫৩।

উপরে