আপডেট : ২০ মার্চ, ২০১৬ ১৫:১৮

জেনে নিন ৫ জন অস্বাভাবিক মানুষকে

বিডিটাইমস ডেস্ক
জেনে নিন ৫ জন অস্বাভাবিক মানুষকে

পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষই একে অপরের থেকে আলাদা। তবু শারীরিক, মানসিক বিভিন্ন বিষয়ে মিল রেখে পৃথিবীর সব মানুষকে এক করা গেলেও কিছু কিছু মানুষ সত্যিই খুব আলাদা। আসুন আমরা জেনে নিই এমন ৫টি আলাদা মানুষ সম্পর্কে-

আপনি কি ভারতের বিখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের ‘পা’ মুভিটি দেখেছেন। যদি দেখে থাকেন তাহলে অবশ্য আপনার মনে আছে, যেখানে অমিতাভ বচ্চন একটি বাচ্চা ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেন। অতিরিক্ত শারীরিক হরমন বৃদ্ধির কারনে যে বাচ্চাটিকে বৃদ্ধ লোকের মত দেখাতো। এডালিয়া রোজ হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এই ব্যাধিতে ভুগছেন। ৮ মিলিয়ন লোকের মাঝে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি কিনা এই রোগে ভুগছেন। কীভাবে তাকে এই রোগ থেকে মুক্তি দেয়ে যায় সেই বিষয়ে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত তাকে নিয়ে গবেষণা করছেন।

টাঁক মাথার কারনে অনেক ছেলেকেই মেয়েরা বিয়ে করতে আগ্রহী হয় না। টাক হলে, অল্প বয়সের ছেলেকেও দেখায় বৃদ্ধ। ছেলেদের এই ব্যাপারটিকে টাক সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু এখন আপনাকে যে তথ্যটি জানাবো সেটি সম্পুর্ন উল্টো। এখানে চুলই সমস্যা! হাইপারটিরোসিস এর কারনে এমনটি হয়ে থাকে। আপনি হয়ত ছবির মানুষটিকে দেখে বনমানুষ মনে করবেন। কেউ কেউ হয়ত তাকে দেখে ভয়ও পেতে পারেন। এই অধিক চুলের মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে খুবই কম। তাদের দেখে ভয় পাবার কিছু নেই। জেনেটিক মিউটেশনের কারনে এমনটি হয়ে থাকে। অনেক সময় শক্তিধর ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার এই রমক হয়ে থাকে। তারা আপনার আমার মতই সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষ।

আপনি হয়ত কালো কিংবা সাদা রঙের মানুষ দেখেছেন। আর না হয় এই দুইয়ের মাঝামাঝি রঙের মানুষ দেখেছেন। ইউরোপের ককেশীয়ায় পাওয়া গেল এক বিরল রঙের মানুষ। যার সারা শরীর নীল রঙের। তিনি এই রকম নীল রঙের চামড়া নিয়েই জম্ম গ্রহন করেন। এইটা মূলত একধরনের ব্যাধি। রক্তে টিস্যুর পরিমাণ কম থাকার কারণে অল্প পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহন করতে পারে। কম অক্সিজের কারনে রক্তের রঙ হয়ে উঠে বাদামী আর সেই কারনেই তাদের ত্বকের রঙ দেখায় নীল।

আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার, জন সিনা, রক, সালমান খান, ঋত্বিক এদের সুন্দর শরীর দেখলে হয়ত আপনি আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি আর মনে মনে চিন্তা করি ইশ্ যদি আমার শরীরটাও এমন হতো। কিন্তু এবার আপনি মুগ্ধ হবেন এই দুই বাচ্চার শরীর দেখে। এরা বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী বাচ্চা। এদেরকে আবার অনেকে সুপারহিরু বলেও ডাকেন। অল্প বয়সেই এদের শরীরে দেখা যায় বাইসেফ, থাইফেস আরো কত কি। ডাক্তাররা অবশ্য এদের শরীর নিয়ে এখন পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন। এরকম দেহের জন্য তার সুস্থ্য জীবনের উপর কোন প্রকার প্রভাব পরবে কিনা সেই ব্যপারে ডাক্তারা এখনো কিছু জানাননি।

ছবিটি ভালো মত দেখুন। কি মনে হয় আপনার? হ্যা জানি, আপনি হয়ত ধরে নিয়েছেন এইটি ফটোশপের কাজ। কষ্ট করে আরেকবার দেখুন। ভাল করে ছবিটির দিকে তাকান। এটি কোন ফটোশপ নয়। মেয়েটি তার হাত দিয়ে শরীরের ভাঁড় বহন করছে এবং তার পা গুলা সামনের দিকে। আপনি যখন ছবিটার বা-দিকে তাকাবেন তখন আপনি মেয়েটির ছায়া স্পষ্ট দেখতে পাবেন। তখনই হয়ত আপনি বুঝতে পারবেন যে ছবিটা কোণ ফটোশপ নয় এটা বাস্তব।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এএ

উপরে