আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৮:২০

যে তিনটি বড় রহস্য উন্মোচিত হবে এ বছরই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যে তিনটি বড় রহস্য উন্মোচিত হবে এ বছরই

মহাবিশ্বের কোনকিছুই রহস্যের বাইরে নয়। রহস্য অনুসন্ধানী মানুষও রহস্যময়। তবে অনুসন্ধান অনেক রহস্যকেই উন্মোচিত করে। অনুসন্ধানী মানুষ এ বছরই উন্মোচন করতে যাচ্ছে আরো অন্তত তিনটি বড় বড় রহস্যের।

অন্তত এমনটাই মনে করছেন তিন ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক।

কণা-পদার্থবিদ গেভিন হেস্কেথ, পরিবেশের আচরণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লুস জেন্টল ও রসায়নবিদ সিমন কটন এবছরের সবথেকে বড় তিনটি রহস্যের পর্দাফাঁস হয়ে যাবে বলে মনে করেন।

যেমন ধরা যাক ইয়েতি-রহস্য। ইংরেজিতে যাকে ‘বিগ ফুট’ নামেও অভিহিত করা হয়। বহুবছর ধরে তুষারাবৃত পার্বত্য এলাকায় বা গভীর অরণ্যে অনেকেই ভালুক সদৃশ অতিকায় এক প্রানীর দেখা পাওয়ার কথা বলেন।

তবে কি সত্যিই ইয়েতি বা বিগ ফুটের মতো বৃহদাকৃতির কোনও প্রাণী রয়েছে? নাকি গোটাটাই কল্পনা? তাদের কি সত্যি চোখে দেখা যায়?

এক বিশেষ ধরনের ইনফ্রারেড ক্যামেরার সাহায্যে এবছরই সেই রহস্য ফাঁস করার দাবি করেছেন ওই তিন বৈজ্ঞানিক। যে ক্যামেরা তারা ব্যবহার করার কথা বলছেন, সেই ক্যামেরা ব্যবহার করেই সম্প্রতি চীনে এই প্রথম ‘অ্যামর লেপার্ড’ খুঁজে পাওয়া গেছে। যার খোঁজ চলছিল গত ৬২ বছর ধরে।

বিজ্ঞানীরা মেল অনলাইনকে জানিয়েছেন, ইনফ্রারেড ক্যামেরাগুলি রিমোটের সাহায্যে দূর থেকে পরিচালিত করা যাবে। মানুষের উপস্থিতির দরকার নেই।

তারপর এই মহাবিশ্বে পৃথিবী ছাড়াও অন্য কোন গ্রহে জীবিত  প্রানী রয়েছে কি না, সেই রহস্যেরও এবছর সমাধান হতে চলেছে। নাসার পাঠানো ‘মার্স-রোভার’ ছাড়াও এই মুহুর্তে আরও অন্তত ৭টি মহাকাশযান মঙ্গল-সহ অন্যান্য গ্রহগুলিতে প্রাণের খোঁজ চালাচ্ছে। মঙ্গল ছাড়াও বৃহস্পতি, শনির উপগ্রহ এনসেলাডসে প্রাণের খোঁজ পাওয়া যেতে পারে বলে জোরদার গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষকরা।

শেষ যে বড় রহস্যের এবছরই সমাধান মিলতে পারে বলে মনে করছেন বৈজ্ঞানিকরা, সেটি হল ‘ডার্ক ম্যাটার’। মহাকাশে অজস্ত্র ডার্ক ম্যাটার বা নিকষ কালো, অন্ধকার শূন্যস্থান রয়েছে যার জন্ম-রহস্যের সমাধান আজও মেলেনি।

আশা করা হচ্ছে, এই তিন রহস্যের উপর থেকে এ বছরই পর্দা সরে যাবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/পিএম

উপরে