আপডেট : ১২ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৩:১৪

বিশ্বে সাড়া জাগানো পোশাক বিতর্ক

বিনোদন ডেস্ক
বিশ্বে সাড়া জাগানো পোশাক বিতর্ক

পোশাক নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই বিশ্বজুড়ে। এই ব্যাপারে এক নম্বরে রয়েছেন এন্টারটেইনাররা। তবে পিছিয়ে নেই রাজপরিবারের সদস্যরাও। বিডিটাইমস৩৬৫ পাঠকদের জন্য তেমনই ৭টি পোশাক এবং তাদের পিছনের গল্প-

২০১৫-র গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ম্যাডোনা এলেন ‘গিভেঞ্চি’-র ডিজাইন করা একটি পোশাক পরে। থাই-হাই বুট পরলে কী হবে, ‘ক্লিভেজ’ এবং ‘বাম’ প্রদর্শনেই বিতর্কের ঝড় তুললেন।

২০১৪ সালের সিএফডিএ ফ্যাশন অ্যাওয়ার্ডসে প্রায় শরীরের সর্বস্বই দেখিয়ে দিলেন রিহানা। অ্যাডাম সেলমানের ডিজাইন করা এই স্বচ্ছ পোশাকে ছিল ২১৬,০০০টি সোয়ারোস্কি ক্রিস্টাল।

২০০০ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে জেনিফার লোপেজ পড়েছিলেন ‘ভারসাসে’-র একটি সিল্ক শিফন ড্রেস। কেন বিতর্কিত এই পোশাক, সেটা বলাই বাহুল্য।

জোসেফাইন বেকার ছিলেন একজন আমেরিকান নর্তকী। ১৯২৬ সালে দিকে স্টেজ পারফরম্যান্সে নামতেন টপলেস অবস্থায়। পরনে শুধু থাকত একটি ‘বানানা স্কার্ট’।

মেরিলিন মনরোর ‘হ্যাপি বার্থডে মিস্টার প্রেসিডন্ট’ ড্রেস। ১৯৬২ সালের ১৯ মে, জে এফ কেনেডিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের জন্য মাত্র একবারই পরেছিলেন এই পোশাক। ১৯৯৯ সালের অকশনে ১,২৬৭,৫০০ ডলারে বিক্রি হয় এই পোশাক।

২০১৫ সালের ‘মেট বল’ ইভেন্টে শিয়ার ড্রেসে এলেন বিয়ন্স নোল্‌স। একটু দূর থেকে দেখলে প্রায় নগ্নই মনে হয়েছিল তাঁকে।

তখনও বিয়ে ভাঙেনি। যেদিন প্রিন্স চার্লস নিজে মুখে স্বীকার করেছিলেন ক্যামিলা-র সঙ্গে তাঁর গোপন সম্পর্কের কথা, সেদিন রাগে-দুঃখে জ্বলে উঠেছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। পরেছিলেন এই পোশাকটি, যার নাম ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’। রক্ষণশীল রাজপরিবারের বধূ হিসেবে একটু বেশিই, তবু...।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে