আপডেট : ৩ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৫:১৫

আতশবাজিতে স্বর্গের সিঁড়ি

অনলাইন ডেস্ক
আতশবাজিতে স্বর্গের সিঁড়ি

রূপকথায় স্বর্গের সিঁড়ির কথা শুনেছেন অনেকেই। বাস্তবে এমনটি খুঁজে পাওয়া তাই অসম্ভবই বলা যায়। এমনই অসম্ভবের এক শৈল্পিক ভাবনায় মেতে ওঠেছিলেন চীনা শিল্পী কাই গুয়োকইয়াং। মামুলি আতশবাজি দিয়েই তিনি তৈরি করেছেন stairway to heaven, যা স্বর্গের সিঁড়ি নামেই পরিচিত।

স্বর্গবাসী দাদীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য গুয়োকইয়াং ওই অনন্য উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তিনি আতশবাজি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন ১৬৫০ ফিট মই। আকাশগামী ওই মই’র নাম দিয়েছেন স্বর্গের সিঁড়ি। এই সিঁড়ির মাধ্যমেই শিল্পী তার দাদীর সঙ্গে মনের যোগাযোগ স্থাপন করার প্রয়াশ চালান।

আতশবাজির মইটি তার এবং অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়। দক্ষিণ পূর্ব চিনের কুয়ানজাউয়ে সফলভাবে  এর প্রয়োগ ঘটানো হয়।

গান পাউডার নিয়ে বরাবরই কাজ করেন কাই। বাজি দিয়ে তৈরি ১৬৫০ ফুট লম্বা স্বর্গের সিঁড়ি  নেট দুনিয়ায় তাকে বিখ্যাত করে দিয়েছে। এর আগে কয়েকবার এমন বাজি ফাটানোর চেষ্টা করলেও বিফল হন কাই।

বারূদ ভরা এবং একটি উষ্ণ বায়ু ভরা বেলুন উপরে সংযুক্ত ছিল। বেলুনটি বিশেষ উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়।

২১ বছর বয়স থেকেই তিনি স্বর্গের সিঁড়ি তৈরী করার পরিকল্পনা করেছিলেন যখন তিনি ইংল্যান্ডের বারথে ভ্রমণ করেন। প্রথমে তিনি এর নকশার জন্য একটি আর্ট গ্যালারির উইন্ডোতে একটি খসড়া নকশা অঙ্কন করেন।

চীনের সবচেয়ে বিশিষ্ট বাজি শিল্পী হিসেবে মি. কাই ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে আতশবাজির খেলা দেখিয়েছেন। তিনি চিত্রাংকন উৎপাদনে বারূদ ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত।

২০১৩ সালে তিনি বারূদ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তার আদি শহর কুয়াঞ্জাহোতে ৮০ ফুট দীর্ঘ পেইন্টিং তৈরি করেন। যা পরে ১.৬ মিলিয়ন ডলারে নিলামে উঠে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে