আপডেট : ৪ মার্চ, ২০১৬ ১৮:১২

কীভাবে হয়ে উঠবেন সকলের চোখে সেরা?

বিডিটাইমস ডেস্ক
কীভাবে হয়ে উঠবেন সকলের চোখে সেরা?

আপনি নিজে কি নিজেকে ততটা স্মার্ট মনে করেন না! হীনম্মন্যতায় ভোগেন? মনে রাখবেন এ নিয়ে ভেঙে পড়ার কোনও কারণ নেই। জন্মগতভাবে সবাই সমান স্মার্ট হয় না। কিছুটা শিখতেও হয়।  কী বলল সেটা বড় কথা নয়। যদি আপনি নিজেকে ততটা স্মার্ট মনে না করেন তবেই জেনে নিন এই টিপস। অপরের মনে করাটার থেকে নিজে কী ভাবছেন সেটাই বড় কথা। রাতারাতি স্মার্টনেস বাড়ানো যায় না। আপাতত প্রতিটি সপ্তাহে একটি করে পদক্ষেপ নিয়ে নিজেকে বদলান। মনে রাখবেন নিজেকে বদলাতে না পারলে কোনও দিনই বদল আসবে না।

১। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন— এই শেখাটা মন থেকে শিখতে হবে। নতুন কোনও শব্দ, নতুন কোনও তথ্য আপনাকে প্রতিদিন জানতে হবে। শুধু জানলেই হবে না, সেগুলো ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগাতে হবে। কোনও শব্দ শিখলে দিন কমপক্ষে তিনবার তিন জনের সঙ্গে কথাবার্তায় সেটা ব্যবহার করুন।

২। মস্তিষ্ক ধারালো করুন— কোনও কিছুই একদিনে হয় না। একটু একটু করে এগোতে হবে। শুরুতেই ক্রসওয়ার্ড পাজল বা সুদোকুতে হাত পাকাতে পারা যায় না। আপাতত শুরু করুন ছোটদের ক্রসওয়ার্ড বা শব্দের খেলা দিয়ে। পাজল ভিডিও গেমসও উপকারে আসবে।

৩। জ্ঞানের পরিধি বাড়ান— সেই স্কুল জীবনের মতো করতে হবে। পড়া তৈরি করার পরেও যেমন রিভাইজ করতে হত, ঠিক তেমনই করে যেতে হবে। প্রতি সপ্তাহে আপনি নিজে কতটা এগোলেন, নিজের কাছেই পরীক্ষা দিন। পুরনোটা মনে রাখতে পারছেন কিনা, সেটা দেখে আরও জানুন, শিখুন।

৪। নতুন হবি তৈরি করুন— আপনার কি কোনও বিশেষ শখ আছে? যদি না থাকে, তবে এখনই কোনও শখে মেতে পরুন। ফুলের বাগান থেকে ডাকটিকিট জমানো— যা খুশি করুন। এটা কোনও একটা বিশেষ পছন্দের জগৎ তৈরি করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। মনে রাখবেন, আত্মবিশ্বাসী মানুষই স্মার্ট।

৫। ঠিকঠাক খাবার খান— মনে রাখবেন সুষম আহার মানুষের মগজ এবং শরীর, দুইয়ের উপরেই প্রভাব ফেলে। আর শরীর তাজা থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। স্মার্টনেস বাড়ে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যে ধরনের খাবার কাজে দেয় সেই সব খাবার নিজের ডায়েটে রাখুন।

৬। চিন্তা-ভাবনা হোক পজিটিভ— সব সময় পজিটিভ ভাবুন। নেগেটিভ ভাবনা, অপরের সম্পর্কে নেগেটিভ আলোচনা, এমনকী নেগেটিভ আলোচনার মধ্যে থাকাও স্মার্টনেস কমিয়ে দেয়। আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। নিয়মিতভাবে একটা পজিটিভ আবহে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।

৭। কাজের মধ্যে থাকুন— স্মার্টভাবে কাজ করাটা স্মার্টনেসের বড় লক্ষণ। আপনার জীবনকে একটা রুটিনের মধ্যে রাখুন। সময়ানুবর্তিতা আপনাকে সকলের থেকে আলাদা করে দেবে। আর সব সময় কাজের মধ্যে থাকা, আলস্য প্রকাশ না করাটা নিজের কাছেই নিজেকে স্মার্ট করবে। অপরেও লক্ষ্য করবে।

৮। নেশা ছেড়ে দিন— অনেকেই সিগারেট বা চুরুটকে স্মার্টনেসের প্রতীক ভাবেন। অনেকে মদ্যপান দ্বারাও নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এটা একেবারেই ভুল। কোনও কিছুর প্রতি আসক্তি পুরুষ অথবা নারীর স্মার্টনেসে ধাক্কা দেয়। কোনও কিছুর উপরে নির্ভরতা কমায় আত্মবিশ্বাস। আর আত্মবিশ্বাসই তো আসল স্মার্টনেস।

‘স্মার্টনেস’ একটা আপেক্ষিক ব্যাপার। ঢাকায় যা স্মার্টনেস, বার্মিংহামে তা না-ও হতে পারে। অতএব, যা করবেন স্থান ও কাল বুঝেই করবেন।

উপরে