আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০১৬ ১৫:০০

অধ্যাপক পদোন্নতির স্থগিতাদেশ বহাল থাকছে

বিডিটাইমস ডেস্ক
অধ্যাপক পদোন্নতির স্থগিতাদেশ বহাল থাকছে

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সহযোগি অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ওপর উ্চ্চ আদালতের দেওয়া আগেকার দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল থাকছে। সহজ কথায় স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি কাজী রেজাউল হকের কোর্ট আজ মঙ্গলবার (২২ মার্চ) এমন আদেশ দিয়েছেন।

আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজের ও অন্যান্য সকল সহকর্মীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার করার মাধ্যমে ইতিমধ্যে শিক্ষা ক্যাডারে তুমুল জনপ্রিয় হওয়া অধ্যাপক আমেনা বেগমের মামলা নামে পরিচিত এই মামলাটি।

পদোন্নতির জন্য শিক্ষা ক্যাডারের জন্য সময় সময়ে সরকার প্রণীত বিধিবিধান অনুযায়ী গ্রেডেশন  তালিকা না করা পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে, এমনই নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ভুক্তভোগী, সংক্ষুব্ধ ও রিটের বাদীগণ এমন খবর নিশ্চিত করেছেন।

তারা বলছেন, আজকের দেওয়া আদালতে আদেশের ফলে গোঁজামিল দিয়ে, হুমকি দিয়ে মামলা ও রিট প্রত্যাহার করিয়ে রাতের আধাঁরে পদোন্নতি দেওয়ার কোনো আশাই পূরণ হচ্ছে না আপাতত।

শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক দুইজন মহাপরিচালক বলেন, অধ্যাপক আমেনার বিরুদ্ধে অধ্যাপক মো. মাসুমে রব্বানী, বশিরউল্ল্যাহ ও আজমতগীর গংদের সুপরিকল্পিত অপপ্রচার ব্যর্থ হয়েছে। তারা ভুলভাবে বোঝাতেই চাইছিলেন যে আমেনার মামলার কারণে ৭ম ব্যচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ও হচ্ছেন।

তারা বলেন, শিক্ষা ক্যাডারের অপর একজন প্রভাবশালী নারী কর্মকর্তা ব্যক্তিগত জেদাজেদির কারণে আমেনাকে ‘অপদস্ত’ হতে হয়েছে। ওই নারী কর্মকর্তার চাইতে ব্যক্তিগতভাবে অধিকতর যোগ্য, চৌকস ও মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও আমেনাকে পদোন্নতি পাওয়ার পর গোপালগঞ্জ কলেজে যেতে হয়েছে। আবার শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়মিত মহাপরিচালক কিংবা কলেজ পরিচালক পদে পদায়ন দেওয়ার পরিবর্তে আমেনাকে তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। বিড়বিড় করে তারা বলেন, ডেটলাইন ৩ জুলাই।

সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এম আই ফারুকী বলেন, আমেনা ল পয়েন্টে লড়াই করেছেন। তার মামলার মেরিট ভালো। গোটা ক্যাডারের জন্যই ভালো হয়েছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে