আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:১১

বিএম কলেজের ছাত্রাবাসে পুলিশি অভিযান

বরিশাল প্রতিনিধি
বিএম কলেজের ছাত্রাবাসে পুলিশি অভিযান

অবশেষে সরকারি বিএম কলেজে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে অস্থিতিকর পরিবেশ তৈরী হওয়ার কারণ অনুসন্ধ্যানে গঠিত হওয়া তদন্ত কমিটি প্রবিদেন জমা দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে ফয়সাল আহমেদ মুন্না কর্মপরিষেদের নেতা হওয়ায় তার ওপরে হামলার প্রতিবাদ করছিলো তার অনুসারীরা। আর এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অস্থিতিকর পরিবেশ তৈরী হওয়ার উপক্রম হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। আর তখনই শিক্ষার্থীদের সাধে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে অনবরত প্রবেশ করতে পারার কারণে এমন ঘটনা ঘটছে। কারণ মুন্নার ওপর হামলা কলেজের বাইরেও হয়েছিলো। আর তাতে বহিরাগতরাই অংশগ্রহণ করেছে বেশী। এছাড়া ক্যাম্পাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মিছিল কিংবা সমাবেশে বহিরাগতরা অংশ নেবার কারণে এমন ঘটনা ঘটছে।

প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশী জোর দেয়া হয় ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেবার বিষয়ে। সুপারিশ মামলায় বলা হয় কলেজের প্রধান তিনটি ফটকে ভিজিলেন্স টিম সার্বক্ষনিক উপস্থিত রাখতে হবে। যারা শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র চেক করে তাদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দিবে। একই সাধে কলেজের ছাত্রাবাসগুলোতে বহিরাগতরা বসবাস করছে। তারা বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে। আর এ থেকেই ক্যাম্পাসে অস্থিতিকর পরিবেশ তৈরী হয়। তাই ছাত্রাবাসগুলোতে সপ্তাহে দুইদিন পুলিশের অভিযান পরিচালনা করার অনুমতি দিতে হবে কলেজ প্রশাসনকে।

তদন্ত কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক সরোজ কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রতিবেদনে মুল ঘটনাটাই উল্লেখ করা হয়েছে। আর প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ দেয়া হয়েছে। ওই সুপারিশগুলোতে কলেজ প্রশাসনকে নজর দিতে বলা হয়েছে।

বিএম কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক স ম ইমানুল হাকিম বলেছেন, এমনিতেই ক্যাম্পাসে ভিজিলেন্স টিম কাজ করে। আর তাদের নির্দেশ দেয় হবে বহিরাগতদের প্রতিরোধ করার জন্য পরিচয়পত্র চেক করার জন্য। একই সাথে ছাত্রাবাসগুলোতে বহিরাগত রোধে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাতে অস্থায়ী কর্মপরিষদের ক্রীড়া সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ মুন্নাকে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। ওই ঘটনায় পরের দিন বুধবার ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে। বেশ কিছু বিভাগে ভাংচুর করে। পুলিশের সাধে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতিতে কলেজ প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি করে ওইদিন। ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে