আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৮:৪৩

'লক্ষ এবার ভিয়েতনাম জয়'

শেষ হলো জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব
'লক্ষ এবার ভিয়েতনাম জয়'

রেজা করিম

ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড জয়ের মাধ্যমে জীববিজ্ঞানের বার্তা বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে শেষ হলো জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব।

শুক্রবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরনীর মাধ্যমে এ উৎসব শেষ হয়।

এর আগে সকাল নয়টায় বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর সহীদ আকতার হোসাইন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘মানুষের জীবনে জীববিজ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য। স্বাস্থ্য, চিকিৎসা তথা প্রাণির সর্বক্ষেত্রে এটি সমান ভাবে অবদান রেখে চলেছে। জীববিজ্ঞান ছাড়া প্রাণির বেঁচে থাকার কথা চিন্তাও করা যায়না। কিন্তু তারপরেও বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি অনেকরই অনাগ্রহ দেখা যায়’।

এসময় জীববিজ্ঞানের বার্তা প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে এই আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উদ্বোধন শেষে শুরু হয় সারাদেশ থেকে আগত সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত ঘণ্টাব্যাপি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা শেষে শুরু হয় জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত নানা প্রশ্নোত্তর, আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান।

এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. এমদাদুল হক। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল হক, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. জীবন কৃঞ্চ বিশ্বাস, জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সহ-সভাপতি ড. মুনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. রাখ হরি সরকার প্রমুখ।

প্রশ্নোত্তর পর্বে অতিথিরা অলিম্পিয়াডে আগত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এমদাদুল হক বলেন, ‘দিন দিন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। সবাই ঝুঁকছে ব্যবসা বা অন্যান্য শিক্ষার দিকে। বিজ্ঞান শিক্ষা ছাড়া প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকা অসম্ভব। তাই বিজ্ঞান শিক্ষার দিকে আমাদের নজর দিতে হবে’।

আর এরকম আয়োজন এই শিক্ষাকে আরো জনপ্রিয় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অলিম্পিয়াডে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে ৬৪ জনকে পরবর্তী ক্যাম্পের জন্য নির্বাচন করা হয়। এদের মধ্যে চারজনকে চারটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার দেয়া হয়।

এদের মধ্যে গোপাল চন্দ্র ভট্টাচার্য পুরষ্কার পান ভিকারুননেসা নুন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী তাসনিম মুনতাহা, এ কে এম নুরুল ইসলাম পুরষ্কার পান নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী আফতারুল ইসলাম, এস এম হাসানুজ্জামান পুরষ্কার পান সায়েদা আয়শা সিদ্দিকা এবং সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে উপেন্দ্র ব্রম্মাচারী পুরষ্কার জেতেন স্কলাস্টিকার শিক্ষার্থী রিদ্দিতা বিভিকা বসু।  

নির্বাচিত ৬৪ জনের মধ্য থেকে পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পের মাধ্যমে চারজনকে বাছাই করে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হবে।      

 বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

 

 

উপরে