আপডেট : ১২ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৮:৫৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬

গৌরবময় সাফল্যের ৪৫ বছর পেরিয়ে জাবির ৪৬ বছরে পদার্পন
নবিউল ইসলাম বাপ্পি, জাবি প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬

আজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস।নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে দিবসটি। গৌরবময় সাফল্যের সাথে ৪৫ বছর পারি দিয়ে ৪৬ বছরে পদার্পণ করলো সংস্কৃতির রাজধানী খ্যাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

১২ জানুয়ারি সকাল ১০টায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন এবং রঙিন বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।

প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম জাতীয় পতাকা এবং বিশেষ অতিথি প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে পুরো ক্যাস্পাসকে। রাস্তার দু’পাশে শোভা পাচ্ছে নানান রঙের পতাকা আর ফেস্টুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, প্রধান ফটকসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় করা হয়েছে আলোকসজ্জা। প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে চার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কর্মসূচির দ্বিতীয়দিন আগামীকাল ১৩ জানুয়ারি বিকাল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে পুতুল নাচের আয়োজন করা হয়েছে। বিকাল ৫ টায় থাকছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক কোটায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

পরদিন ১৪ জানুয়ারি বিকাল ৩ টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে পিঠা মেলা এবং ৫ টায় সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে নাটকের আয়োজন করা হয়েছে।

১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমবারের মত অ্যালামনাই ডে মিলনমেলা। দিনব্যাপী এ মিলনমেলায় রয়েছে আনন্দ শোভাযাত্রা, স্মৃতিচারণ, প্রথম ব্যাচে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ফানুস উডানো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র‌্যাফেল ড্র।  

শিক্ষাবিদ ড. সুরত আলী খানের পরিচালনায় ১৯৬৮ সালের জুন মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়। ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রসায়নের অধ্যাপক ড. মফিজ উদ্দিন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্যের দায়িত্ব পান।

পরের বছর ৪ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হয়। ১২ জানুয়ারি এ বিদ্যাপিঠের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

৬৯৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ছয়টি অনুষদ ও দুটি ইনস্টিটিউটের অধীনে মোট ৩৬টি বিভাগের কার্যক্রম চলছে। প্রায় ১৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ১১টি আবাসিক হল।

উপরে