আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৩:৩১

শাকিবের দর্শক দশ কোটি!

অনলাইন ডেস্ক
শাকিবের দর্শক দশ কোটি!

ঢাকাই ছবির বিগত এক যুগের খতিয়ান ঘেঁটে দেখলে একটা ফলাফল খুব স্পষ্ট হয়ে যায়। সেটা হলো সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় নায়ক কে। একের পর এক সুপারহিট ছবি উপহার দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে একাই রাজত্ব করেছেন তিনি। ছবির মুক্তির জন্য দর্শকের তুমুল আগ্রহ কিংবা সিনেমা হলের সামনে দর্শকের ভিড়, এসবের পেছনে ছিলো কেবল একটি নাম। সেটা হলো শাকিব খান।

এই একজন নায়ককে ঘিরেই যেন আবর্তিত হয়েছে গত এক যুগের ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রি। প্রযোজকরা কোটি কোটি টাকা লগ্নি করেছেন, আবার সেই টাকা লাভ্যাংশসহ তুলে এনেছেন। শত শত টেকনিশিয়ান নিয়মিত কাজের মধ্যে থেকে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। সিনেমা হলের মালিকরাও তাদের হল ভর্তি দর্শক দেখেছেন। সব কিছুর মূলেই যেন শাকিব খানের নাম জড়িয়ে আছে।

সব মিলে গত এক যুগে সিনেমা হলের পর্দায় একমাত্র কিং বলা চলে শাকিব খানকে। কারণ এই সময়ে অন্য কোনো নায়ক তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারেননি। দর্শকপ্রিয়তা কিংবা ব্যবসা, কোনো দিক দিয়েই উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়নি কেউই। একাই একশো সুত্রে যেন শাকিবই সর্বেসর্বা।

শুধু সিনেমা হল নয়, শাকিব খান অন্তর্জাল তথা ইউটিউবেও রাজত্ব করছেন। তার অভিনীত ছবিগুলো ইউটিউবেও ব্যাপক জনপ্রিয়। এরইমধ্যে দশটি সিনেমা প্রবেশ করেছে এক কোটি দর্শকের ক্লাবে। যা কিনা বিরল রেকর্ড।

কোটির ক্লাবে প্রবেশ করা শাকিবের ছবিগুলো হচ্ছে, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘লাভ ম্যারেজ’, ‘ঢাকার কিং’, ‘হিরো দ্যা সুপারস্টার’, ‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’, ‘ডেয়ারিং লাভার’, ‘রাজাবাবু দ্যা পাওয়ার’, ‘কঠিন প্রতিশোধ’, ‘প্রেমিক নাম্বার ওয়ান’ এবং ‘গোলাম’। এগুলো ছাড়াও আরো কয়েকটি ছবি কোটি ছুঁই ছুঁই করছে। শিগগিরই সেগুলো এই মেগাক্লাবে প্রবেশ করবে।
সিনেমা হলে যেমন শাকিবের দাপট অব্যাহত রয়েছে, তেমনি অন্তর্জালের জনপ্রিয়তায়ও তার ধারেকাছে কেউ নেই। অনেক নায়কের ছবি মুক্তির কয়েক মাস পরেই ইউটিউবে ছেড়ে দেয়া হয়। তবুও সেগুলোর প্রতি দর্শকের খুব একটা আগ্রহ দেখা যায় না। অন্যদিকে শাকিব অভিনীত পাঁচ-সাত বছর আগের ছবিগুলো দেখতেও দর্শকরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন। যার প্রমাণ- ইউটিউবের এই কোটি কোটি ভিউয়ার্স।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রুমা

 

উপরে