আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১১:০৪

‘আমার সানগ্লাসগুলোর দাম অনেকের পুরো সিনেমার পারিশ্রমিক’

অনলাইন ডেস্ক
‘আমার সানগ্লাসগুলোর দাম অনেকের পুরো সিনেমার পারিশ্রমিক’

একটা বক্সে আমার সানগ্লাসগুলো দাম যেটা, এটা অনেকের পুরো সিনেমার পারিশ্রমিক। কখনো এরকম ছবি দিইনি। আজ নিজের কিছু কথা বলছি অনেক কষ্টে। জী, আমি ম্যানচেস্টার থেকে পড়াশোনাও করিনি। তবে অল্প করলেও ঠিক মতো করেছি। আমার চলচ্চিত্রের চরিত্রে যে পোশাকে মারুফকে দেখা যায় ওই পোশাক মারুফকে দেওয়া হয় প্রযোজকদের তরফ থেকে। আর চরিত্র অনুযায়ী আমাকে কাপড় পরতে দেওয়া হয়। আমি মনে করি, আমি ২০১৬ পর্যন্ত যা বলেছি সব গণমানুষের কথা বলেছি এবং সাধারণ জনগণের প্রতিনিধি হয়ে আমি চলচ্চিত্রের পর্দায় কিছু বলার চেষ্টা করেছি, প্রতিবাদ করেছি। আর প্রতিবাদে সব সময়ই কঠোর হই। আর অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করবই আমি।

নোট: আমি পুরুষ মানুষ, আমার কিন্তু কোনো (আপন জুয়েলার্স) এর মতো বন্ধু নেই।

আমার ব্যক্তিজীবন আর পর্দার মারুফকে অনেকেই এক মনে করে ফেলেন। ভুল করেন আমি শো অফ করি না...। ২০১১ সালে একবার আল্লাহর ঘর ধরার সৌভাগ্য হয়েছিল, মানে ওমরা হজ করেছিলাম। কিন্তু কোনো ছবি তুলিনি। হয়তো কিছু মানুষের জন্য ওটা আমার মূর্খতার পরিচয়। কিন্তু আমার চিন্তা ছিল আমি আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে গিয়েছিলাম। তবে দুর্ভাগ্য আমার কোনো ছবিতে আমার এইসব এক্সোসারিজ পড়ার সুযোগ হয়নি। আমার ছবির নাম (গরিবের ছেলে, রাস্তার ছেলে ইত্যাদি) কিন্তু আমি বাংলাদেশের নিপীড়িত মানুষের কথা বলার চেষ্টা করেছি। যদি কাউকে ছোট করে থাকি আমাকে মাফ করে দেবেন।

ধন্যবাদ
কাজী মারুফ।

(কাজী মারুফের ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত)

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে