আপডেট : ২০ মার্চ, ২০১৬ ১৮:৫৪

নারায়ণগঞ্জ মাতালেন ওপার বাংলার ‘সেরা’ কীর্তনীয়া অদিতি মুন্সী

বিনোদন ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জ মাতালেন ওপার বাংলার ‘সেরা’ কীর্তনীয়া অদিতি মুন্সী

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলা, গুন ও রূপ ইত্যাদি সংগীতের মধ্যে পরিবেশন করাকেই ‘কীর্ত্তন’ বলা হয়। যা এখনও হিন্দু সম্প্রদায়ের অত্যান্ত জনপ্রিয় সঙ্গীতের মধ্যে একটি। গানের মধ্যে ভগবনের আরাধনা কিংবা প্রার্থনা করা হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় কর্মকান্ডের একটি অংশ বলা চলে।

আর সেই গান গেয়ে শুক্রবার (১৮ মার্চ) রাতে নারায়ণগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তদের মাতিয়ে গেলেন ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলার সারেগামাপায়ের কীর্ত্তন শিল্পী অদিতি মুন্সী।

এর মধ্যে দিয়ে শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের ১৮১তম জন্ম তিথি উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শেষ হয়।

তবে কীর্ত্তন গানের তৃপ্ততা দেয়নি শ্রোতাদের। আয়োজকদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে নির্দিষ্ট সময়ের পরিবর্তের রাত ১০টায় শুরু করতে হয় শ্রুতি মধুর কীর্ত্তনের। ভগবানের ভজন ও প্রমাণ জানিয়ে শুরু হয় কীর্ত্তণ। মন্দিরা, খোল, র্কতাল ও আধুনিক সকল বাধ্যযন্ত্রের সংমিশ্রনে শ্রুতি মধুর কীর্ত্তন বক্তদের কাছে হৃদয় ছোঁয়ার আগেই ঘড়ির কাটায় তখন রাত সাড়ে ১১টা।

বিকাল ৪টা থেকে অপেক্ষা করা নারী ভক্তদের কাছে তখন বাড়ি ফেরার পালা। তবে শ্রুতি মধুর কীর্ত্তণ বাড়ী ফেরা উত্তলা মনকে থামিয়ে দিয়ে বাধ্য করে কীর্ত্তন শুনতে। আর কীর্ত্তণ শোনার অপক্ষোয় থেকেও সময় ত্রুটির জন্য আয়োজকদের সমালোচনাও করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। এছাড়া অনেকেই আগাম টিকেট সংগ্রহ করে যথা সময়ে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

তিনদিন ব্যাপী ওই অনুষ্ঠানের প্রথম দুইদিন অদিতি মুন্সীর কীর্ত্তনের ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চলায় নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। আর এ অদিতি মুন্সীর গান শুনতে ভক্তদের যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রবেশ কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সেই কার্ড পাওয়ার পরও অনেক ভক্ত অনুষ্ঠান স্থলে প্রবেশ না করতে পেরে মিশনের বাহিরে রাস্তায় দাড়িয়ে বড় পর্দায় কীর্ত্তন গান উপভোগ করেন।

অদিতি মুন্সী গানগুলো হলে, হরে কৃষ্ণ হরে হরে. রাধাকৃষ্ণের মিলন হলো, তোমরা কুঞ্জু সাজাও গো, তোমায় হৃদয় মাঝারে রাখিবো, হরে কৃষ্ণ নাম নিলে সহ বেশ কয়েকটি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে