আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১১:২০

ভক্তদের জন্য সুখবর; নতুন বিজ্ঞাপণ নিয়ে আসছেন দীঘি

বিনোদন ডেস্ক
ভক্তদের জন্য সুখবর; নতুন বিজ্ঞাপণ নিয়ে আসছেন দীঘি

‘বাবা জানো আমাদের সেই ময়না পাখিটা না আজ আমার নাম ধরে ডেকেছে’ গ্রামীণ ফোনের এই একটি বিজ্ঞাপণ বদলে দিয়েছিলো দীঘির জীবন। তখন থেকেই শুরু। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

দিঘীর বাবা অভিনেতা সুব্রত গনমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছিলেন, আগামী ২০২০ সালেই নায়িকা হয়ে পর্দায় ফিরছেন এই শিশুশিল্পী। ২০২০ সালে এসএসসি পাশের পরই কেবল তিনি অভিনয়ে ফিরবেন। আর সেই ফেরা হবে তার পরিপূর্ণ নায়িকা হয়ে। পড়াশোনার ব্যস্ততা ও শিশুশিল্পীর ইমেজ কাটানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের আগে তিনি কোনোভাবেই পর্দায় আসছেন না। এরমধ্যে অনেকগুলো ছবি, বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাটকের অফার ফিরিয়েও দিয়েছেন দীঘি।

বাংলা চলচিত্রে অন্যতম জনপ্রিয় ও জাতীয় পুরস্কার পাওয়া এ গুণী শিল্পী হঠাৎই নিজেকে মিডিয়া থেকে গুটিয়ে নেন। এদিকে আবার কবে থেকে তাকে রঙিন পর্দায় দেখা যাবে এ নিয়ে ভক্ত দের মনে যেন প্রশ্নের শেষ নেই। তবে দিঘী ভক্তদের জন্য সুখবর হলো আবারো ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন দিঘী। এবার সব ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবাসান ঘটিয়ে হঠাৎ করেই আবারো তাকে ক্যামেরার সামনে পাওয়া গেল। প্রাচুর্য ফ্যাশনের হয়ে একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। সম্প্রতি এর শুটিং হয়েছে জাপান গার্ডেন সিটির টোকিও স্কয়ার মার্কেটে।
এমন আকস্মিকভাবে আবারো পর্দার সামনে আসা প্রসঙ্গে দিঘী বলেন, ‘কাজটি হুট করেই হয়েছে। তাছাড়া এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানিয়া খন্দকারকে আমি মা বলি। তিনি প্রস্তাবটি দিলে আর না করতে পারিনি। তবে বাইরের কোনো কাজ এ মুহূর্তে করছি না। অভিনয় ফেরার ইচ্ছা আমার বরাবরই ছিল। তবে আগে পড়াশোনাটা শেষ করতে চাই। এর পর আবারো ফিরে আসব’

এক সময় লাইট, ক্যামেরা, শুটিং স্পট, সিনেমার সংলাপ, পাণ্ডুলিপি, মেকআপ এই ছিল তার জীবনের অংশ। আর এমনটা হবেই বা না কেন? বাবা সুব্রত আর মা দোয়েল দুজনই ছিলেন চলচ্চিত্রের মানুষ। ফলে রূপালি পর্দার আবহেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। কিন্তু নিজেই অভিনেত্রী হয়ে উঠবেন এমনটি ভাবেননি কখনও।

পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে ৩৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। অধিকাংশ ছবিই ব্যবসা সফল। এর মধ্যে ৩৪টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ২০০৬ সালে ‘কাবুলিওয়ালা’, ২০১০-এ ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’ এবং ২০১২ সালে ‘এক টাকার বউ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন দীঘি।

তবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তিনটি ট্রফির একটি চুরি হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোনো শিশুশিল্পী এতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি। আর এত বেশি জনপ্রিয়তাও পাননি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সমানতালে সে সময় বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হিসেবেও পর্দায় তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকেই দীঘিকে আর পর্দায় দেখা যায় নি।

উল্লেখ্য, শিল্পী পরিবারের মেয়ে দীঘি। তার বাবা সুব্রত এক সময়কার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। মা দোয়েল (মৃত) ছিলেন সাড়া জাগানো চিত্রনায়িকা।

উপরে