আপডেট : ১ মার্চ, ২০১৬ ২১:১৫
আমানতের অর্থ আত্মসাত

রুপালি ব্যংকের কর্মকর্তাসহ তিনজনের কারাদণ্ড

বিডিটাইমস ডেস্ক
রুপালি ব্যংকের কর্মকর্তাসহ তিনজনের কারাদণ্ড

রূপালী ব্যাংকের প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকসহ তিনজনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মীর রুহুল আমিন। এছাড়াও দণ্ডিত আসামিদের ৩০ লাখ ১২ হাজার ৪৬৬ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাদের।

১ মার্চ মঙ্গলবার আদালত এই রায় দিয়েছেন। একই রায়ে অপর তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতরা হলেন, রূপালী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ আমির মার্কেট শাখার ব্যবস্থাপক এ কে এম লুৎফর রহমান, খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মুসলিম অ্যান্ড ব্রাদার্সের কর্মী মাহবুবুল ইসলাম এবং নগরীর লালখান বাজারের মেট্রোপলিটন গৃহনির্মাণ সমবায় সমিতির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন। দণ্ডিতদের মধ্যে জাকির হোসেন ছাড়া অন্যরা পলাতক। এছাড়া খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা আবুল কালাম, আবু কায়সার চৌধুরী এবং এম এ হাশেম।
আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালের ৪ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর এ কে এম লুৎফর রহমান খাতুনগঞ্জের সোনা মিয়া মার্কেটের ঠিকানা ব্যবহার করে মেসার্স রাসেল অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি ভ‚য়া প্রতিষ্ঠানের নামে রূপালী ব্যাংক থেকে এক কোটি ৬৫ লাখ ১৫ হাজার ৯১৫ টাকা উত্তোলন করেন।  খাতুনগঞ্জের মুসলিম এণ্ড ব্রাদার্স নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কর্মী মাহবুবুল ইসলাম লুৎফরের সঙ্গে যোগসাজশ করে ব্যাংকের কাগজপত্রে ভ‚য়া স্বাক্ষর করেন। উত্তোলনের পর লুৎফর আবার ৭৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫১৬ টাকা ৭৯ পয়সা ব্যাংকে জমা দেন। বাকি ৯০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৯৮ টাকা আত্মসাৎ করেন।
আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপা দিতে লুৎফর রহমান জাকির হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৬৭৯ টাকা ৫০ পয়সা মূল্যের জমি এক কোটি চার লাখ ৭৯ হাজার ১০০ টাকায় কেনা হয়েছে দেখিয়ে দলিলপত্র ব্যাংকে জমা দেন। 
এ ঘটনায় ১৯৯৪ সালের ২৭ আগস্ট জেলা দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তৎকালীন সহকারি পরিচালক মো. নূরুল ইসলাম বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।  তদন্ত শেষে ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ছয় আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।  

উপরে