আপডেট : ১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:১৩

পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ম্যাচ

অনলাইন ডেস্ক
পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ম্যাচ

১৯৯৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ হয়েছে ৬৯টি। এর মধ্যে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৪১ ম্যাচে যেখানে জিম্বাবুয়ের জয়ের সংখ্যা ২৮ টি। শতকরা হিসেবে প্রায় ৬০ ভাগ ম্যাচই বাংলাদেশের পক্ষে ছিল।

১৯৯৭ সালের ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ওয়ানডে ম্যাচে মোকাবেলা করে। নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে বাংলাদেশ ৪৮ রানে হেরেছিল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয় এসেছিলো ২০০৪ সালের ১০ মার্চ জিম্বাবুয়ের মাটিতে। আফ্রিকার এই দলটির সঙ্গে ১০ বার মোকাবেলার পর প্রথম জয়ের মুখ দেখে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়েকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-২তে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের মুখ দেখে টাইগাররা।

সবশেষ ১০ ম্যাচের কোনটিতেই জয় নেই জিম্বাবুয়ের। এ বছরের শুরুতেই দেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের দুই ম্যাচে বড় ব্যাবধানে হারে তারা।

এক ইনিংসে দলীয় রানের বিচারে বাংলাদেশের চেয়ে খানিকটা এগিয়ে জিম্বাবুয়ে। তাঁদের এক ইনিংসে ৩০০ বা তার চেয়ে বেশি রান আছে ৬ ইনিংসে। এবং সেরা ইনিংসটি ছিল ২০০৯ সালে নিজেদের মাটিতে ৭ উইকেটে ৩২৩ রান।

বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩০০ বা তার বেশি রানের ইনিংস আছে মাত্র ২টি। যেখানে ২০০৯ সালে বুলাওয়েতে ৮ উইকেটে ৩২০ রান দলের সেরা ইনিংস।

বাংলাদেশের বিপক্ষে লজ্জার রেকর্ড আছে জিম্বাবুয়ে দলের। ২০০৯ সালে চট্টগ্রামে মাত্র ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল সফরকারী জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশও একবার ৯২ রানে অলাউট হয়েছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

দুই দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবেচেয়ে বেশি রান করেছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। ৪৫ ম্যাচে ৩ সেঞ্চুরি ও ৭ হাফ সেঞ্চুরিতে তাঁর রান ১৪০৪। এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক জিম্বাবুয়ের চার্লস কভেন্ট্রির। ২০০৯ সালে চার্লস কভেন্ট্রি বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯৪ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেন।

বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক উইকেট শিকারির তালিকায় সবার উপরে আছেন সাকিব আল হাসান। ৪৫ ম্যাচে তাঁর উইকেট সংখ্যা ৭৪ টি। ৩৯ ম্যাচে ৬২ উইকেট নিয়ে এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে