আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:৪৭

কেন দলে থাকেন না ইমরুল?

অনলাইন ডেস্ক
কেন দলে থাকেন না ইমরুল?

দুবাইয়ের ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে থাকে বাংলাদেশ দল।দুপুরে হোটেল লবিতে তার সঙ্গে দেখা। আজ অনুশীলন নেই, ঘন্টা তিনেকের জন্য বাইরে যাচ্ছেন। ইমরুলকে লাঞ্চ করাতে নিয়ে যাচ্ছিলেন তার এক আত্মীয়। হোটেলে ফিরবেন পাঁচটায়। জানালেন, সন্ধ্যায় ঘুরতে বেরুবেন।

এমনিতে ইমরুল হাসিখুশি মানুষ। কিন্তু গতকাল এবং এমনকি আজও ইমরুলের সেই হাসিখুশি মুখ দেখা গেল না।গতকালের প্রেক্ষাপট না হয় ভিন্ন ছিল, কিন্তু আজ? গতকাল আবুধাবিতে জোহরের নামাজে ইমামতি করেছেন। তিন দিন টানা ম্যাচ খেলার পর দুই দিন জার্নির মধ্যে ছিলেন। সেই ক্লান্তির ছাপ তার চোখে মুখ স্পষ্ট ছিল গতকাল।

সেই ক্লান্তি এবং বিরুদ্ধ কন্ডিশনের মধ্যেও ব্যাট হাতে হাল ধরলেন। ব্যাট করতে হয়েছে ৬ নম্বরে, যে জায়গাটা তার খুবই অপরিচিত। প্রথমবার ৬ নন্বরে ব্যাট করতে নামার আগে নিশ্চিয়ই অরো চাপ জড়ো হয়েছিল ইমরুলের কাঁধে। তবে সব প্রতিকূলতাকে জয় করে ৭২ রানে ছিলেন অপরাজিত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ে রেখেছেন বড় অবদান।

গত বছর অক্টোবরের প্রথম দিকে শেষ ওয়ানডে খেলেছেন। প্রায় এক বছর পর ডাক পেয়েছেন দলের কঠিন অবস্থার কারণে। ব্যাট করতে হয়েছে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে। তারপরেও সফল তিনি। ইমরুলের তো মন ভালো থাকার কথা। হাসিখুশি থাকার কথা।

কিন্তু আজও ইমরুলের মুড অফ! এই মুড অফের কারণ কি? বোঝা গেল তার কথাতেই,‘ আপনিই বলেন, দলে জায়গা না পাওয়ার মতো পারফরম্যান্স আমার ছিল? দলে আমি কেন ছিলাম না, সেটা ভেবে আমি নিজেই অবাক হই। ম্যানেজমেন্ট কি ভেবে আমাকে দলের বাইরে রাখেন আমি জানি না।’

তারমানে কি আপনার প্রতি বিচার করা হয়েছে? ‘আমি সেটা বলছি না। আমি মনে করি দলে থাকার মতো যথেষ্ট পারফরম্যান্স আমার ছিল।কিন্তু ম্যানেজমেন্ট হয়তো নতুনদের আগ্রাধিকার দিতে চেয়েছে।’

ওপেনার হয়েও ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নামতে হয়েছে তাকে। গত পাঁচ দিনে শরীরের উপর অনেক ধকল গেছে।তার পরেও দারুণ ইনিংস এসেছে ব্যাট থেকে। কীভাবে সম্ভব হলো? ইমরুল বলেন,‘ হ্যাঁ, সহজ ছিল না। আমি নিয়মিত উপরে ব্যাট করি। কিন্তু দল যেভাবে চেয়েছে, সেভাবেই করেছি। একজন ওপেনারের জন্য ৬ নম্বরে ব্যাট করা সহজ নয়। তবে দলের প্রয়োজনে আমি সাধ্যমত চেষ্ট করেছি।’

সামনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।ওই ম্যাচে নিশ্চয়ই পছন্দের জায়গায় (ওপেনিংয়ে) দেখা যাবে আপনাকে? ‘ দেখেন, পছন্দ অপছন্দের ব্যাপার না। দল যা চাইবে সেভাবেই হবে।’ ইমরুলের কন্ঠে কি অভিমানের সুর? বোঝা গেল না।

উপরে