আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২০:৫০

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে যত বিশ্বরেকর্ড!

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে যত বিশ্বরেকর্ড!

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বল হাতে দারুণ পারফর্মেন্স করে বাংলাদেশকে প্রথম ম্যাচেই ৭ উইকেট উড়িয়ে দিল ভারত। ভারতীয় দলের দুই জোরে বোলার ৩টি করে উইকেট তুলে নেন এবং প্র্যত্যাবর্তন ম্যাচেই রবীন্দ্র জাদেজা ৪ উইকেট নেন। ভারতীয় দলের দুই রিস্ট স্পিনার উইকেটহীন থাকলেও ভারত বাংলাদেশকে মাত্র ১৭৩ রানে অলআউট করে দেয়। পরে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তারা সহজেই এই লক্ষ্য পার করে যায় অধিনায়ক রোহিত শর্মার অপরাজিত ৮৩ রানের সৌজন্য। ওপেনার শিখর ধাওয়ান করেন ৪০ রান, ৩৩ রান করে আউট হন এমএস ধোনি। একবার দেখে নেওয়া যাক এই ম্যাচে নথিভূক্ত হওয়া পরিসংখ্যানগত রেকর্ডগুলি।

২—রোহিত শর্মা অধিনায়ক হিসেবে এশিয়া কাপে লাগাতার পঞ্চাশ প্লাস স্কোর করা দ্বিতীয় ভারতীয় এবং ওভারঅল পঞ্চম প্লেয়ার হয়েছেন। তার আগে এমএস ধোনি ২০০৮ এ সুপার-৪ এ ৭৬ এবং ৬৭ রান করেন যথাক্রমে পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।

৩—রবীন্দ্র জাদেজা প্রথম ভারতীয় এবং মাত্র তৃতীয় ওভারঅল প্লেয়ার হিসেবে এশিয়া কাপে ব্যাক টু ব্যাক ৪ উইকেট নেওয়া প্লেয়ার হয়েছেন। এই টুর্নামেন্টে জাদেজা তার শেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০১৪য় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যেখানে তিনি ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। অজন্তা মেন্ডিস এর আগে দুবার ব্যাক টু ব্যাক চার উইকেট নিয়েছিলেন। ২০০৮ এ তিই উএই এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন এবং ওই টুর্নামেন্টে ফাইনালে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। পরে ২০১৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে তিনি ৪ উইকেট নেন। লাসিথ মালিঙ্গা দ্বিতীয় বোলার হন এই এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে।এই শ্রীলঙ্কান জোরে বোলার ২০১৪য় ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

৪/২৯—এই ম্যাচে জাদেজার ৪/২৯ বোলিং ফিগার এশিয়া কাপে যে কোনো বাঁহাতি স্পিনারের সেরা বোলিং ফিগার। জাদেজা এই ম্যাচে এশিয়া কাপে তার সেরা বোলিং ফিগার ৪/৩০ রানকে শুধরে নেন যা তিনি ২০১৪য় এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নিয়েছিলেন।

৪—শিখর ধাওয়ান সপ্তম ভারতীয় ফিল্ডার হিসেবে কোনও ওয়ানডে ম্যাচে চারটি ক্যাচ নিলেন। এর আগের ছ’জনের মধ্যে শেষ তম ছিলেন ভিভিএস লক্ষণ যিনি ২০০৪ এ পার্থে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন।

৭২.১— এই ম্যাচে সাকিব আল হাসানকে আউট করার আগে এর আগে লিস্ট এ ক্রিকেটে জাদেজা সবচেয়ে বেশি ৭২.১ বল করেছেন কোনো উইকেট না নিয়েই। এছাড়াও তার লিস্ট এ ফরম্যাটে শেষ উইকেট ছিলেন সাকিবই যা তিনি ২০১৭য় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে নিয়েছিলেন।

১০৮.৭৫—২০১৫ থেকে একদিনের ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রোহিত শর্মা ব্যাটিং অ্যাভারেজ। এই সময়ের মধ্যে তিনি ৬টি ইনিংসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৪৩৫ রান করেছেন যার মধ্যে দুটি সেঞ্চুরি এবং দুটি ৫০ রয়েছে। ২০১৪র শেষ পর্যন্ত রোহিত পাঁচটি ইনিংসে মাত্র ৭৩ রান করেছিলেন কোনও ফিফটি প্লাস স্কোর ছাড়া।

২০১০—শেষ উদাহরণ যখন দুজন ভারতীয় পেসার তিনটি বোলিং ওপেন করে এশিয়ায় তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। শেষবার ২০১০ এ এই ঘটনা ঘটে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ডাম্বুলায়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে