আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:৫৯

এই ব্যাটিং এভারেজ নিয়ে এরা জাতীয় দলে কিভাবে খেলে?

অনলাইন ডেস্ক
এই ব্যাটিং এভারেজ নিয়ে এরা জাতীয় দলে কিভাবে খেলে?

ফুটবল-ক্রিকেট বা যেকোন খেলার একটা কথা আছে ‘ যে দলের রিজার্ভ বেঞ্চ যত শক্তিশালী তারা দল হিসাবে তত বেশি ভাল’। কথা একদম নির্মম সত্য। কারণ আপনি মূল দলের সব খেলোয়াড়কে সব সময় ফিট পাবেন না। তাই আপনার রিজার্ভ বেঞ্চের দিকে হাত বাড়াতেই হবে।

ক্রিকেট বিশ্বের বড় বড় দলগুলোর ব্যাক-আপ খেলোয়াড়রা এতটাই যোগ্য যে একবার কারো ইনজুরিতে সুযোগ পেলে তাকে পরবর্তীতে বাদ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

কিছুদিন আগের ইংল্যান্ডের দলের কথায় ভাবুন না কেন, স্যাম ক্যারণ খেলতে আসলেন ওকস/স্টোকসের বদলী হিসাবে খেলে হয়ে গেলেন ‘ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট’।

আরো কিছুদিন আগে গেলে দেখবেন, ভারতীয় টেস্ট দলে করুন ন্যায়ার ব্যাক-আপ হিসাবে সুযোগ পেয়ে মারলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি। কিন্তু তারপরও তার পরের টেস্ট থেকে বাদ পড়তে হল ন্যায়ারকে।

এবার আমাদের বাংলাদেশের ব্যাক-আপ খেলোয়াডদের কথা বলি। শেষ ৩-৪ বছরে বাংলাদেশ দলের যত সাফল্য তার বেশিরভাগ এসেছে দলের সিনিয়র পঞ্চপান্ডব খ্যাত মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর হাত ধরে। যখনই ব্যাক-আপ বা এদের কারো বিকল্প খুজা গেছে সেখানেই ব্যর্থ সবাই।

ওপেনিংয়ে সৌম্য, ইমরুল, বিজয়, লিটন থেকে বর্তমানে শান্ত পর্যন্ত। সবাই ব্যর্থ। বা মিডল বা লেট মিডিল অর্ডারে সাব্বির, নাসির, মোসাদ্দেক বা মমিনুল কেউই নিজেকে উজাড় করে দিয়ে মেলে ধরতে পারেননি। পারেননি বিশেষ কোন দৃষ্টিনন্দন পার্ফরমেন্স দিয়ে দলকে জয় এনে দিতে। নির্বাচকরা বার বার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চেষ্টা করছেন, কিন্তু কিছুতেই সাফল্য পাচ্ছেন। বরং বাড়ছে আরো হতাশা।

বাংলাদেশের এই ব্যাক-আপ খেলোয়াড়দের ওয়ানডেতে ব্যাটিং এভারেজের দুর্দশা দেখলে আপনার রীতিমত কাঁন্না চলে আসবে। এই ব্যাটিং এভারেজ নিয়ে কিভাবে এরা জাতীয় দলে খেলছে আপনি ভাবতেও পারবেন না।

চলুন দেখেনি সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশি ব্যাক-আপ ব্যাটসম্যানদের ওয়ানডে ‘ব্যাটিং এভারেজ’…

১। লিটন দাস : ৯.০০ (৬ ম্যাচে ৫৪ রান)

২। এনামুল হক : ১২.৫৭ ( ৭ ম্যাচে ৮৮ রান)

৩। সাব্বির রহমান : ১৬.০০ (১০ ম্যাচে ১৪৪ রান)

৪। মোসাদ্দেক হোসেন: ২৬.৫০ (৫ ম্যাচে ৫৩ রান)

৫। মোহাম্মদ মিথুন: ২১.০০ (৪ ম্যাচে ৮৪ রান)

৬। নাসির হোসেন: ৩.৮০ (৫ ম্যাচে ১৯ রান)

৭। ইমরল কায়েস: ৩৩.৩৩ (৩ ম্যাচে ১০০ রান)

৮। নাজমুল হোসেন শান্ত: ৭.০০ (২ ম্যাচে ১৪ রান)

৯। মমিনুল হক: ৯.০০ (১ ম্যাচে ৯ রান)

১০। সৌম্য সরকার: ৮ (১ ম্যাচে ৮ রান)

[শেষ কয়েক ওয়ানডে পরিসংখ্যান]

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিিিএমএ

উপরে