আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:০৪

দুই ম্যাচ হারার পর কেন এই সিদ্ধান্ত?

অনলাইন ডেস্ক
দুই ম্যাচ হারার পর কেন এই সিদ্ধান্ত?

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছিল ১ রানে। চোটে পড়ে তামিম দেশে ফিরে আসলে পরের ম্যাচগুলোতে ওপেনিং করেন লিটন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। আফগানিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ মিলে এই জুটি থেকে আসে মোট ৩০ রান। আর তাই চিন্তিত বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। দেশ থেকে আরও দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েসকে উড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তা না হয় ভালো কথা, কিন্তু দুই ম্যাচ হারার পর কেন তামিমের বদলি দুইজন পাঠাতে হবে?

তামিম খেলছে না তা আমরা জানতাম। সে দেশেও ফিরে এসেছে। তাঁর জায়গায় আরেকজন খেলোয়াড় নিতে হবে এটাই স্বাভাবিক। তাহলে দুই ম্যাচে বাজেভাবে হারার পর কেন আমরা সৌম্য-ইমরুলকে দুবাই পাঠালাম। এটা কি নির্বাচকদের দূরদর্শিতার অভাব নয়। একই সঙ্গে এভাবে স্কোয়াডে খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্তি দলের মধ্যে যে এক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে সেটাও প্রকাশ করে।

এমনিতেই উদ্বোধনী জুটিতে তামিমের যোগ্য সঙ্গী হন্যে হয়ে খুঁজছে নির্বাচকরা। উইন্ডিজ সফরে তামিমের সঙ্গী হিসেবে এনামুল হক বিজয়কে দিয়ে চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এনামুলও ব্যর্থ। টানা তিন ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় এনামুলকে এশিয়া কাপে আর বিবেচনায় আনেননি নির্বাচকেরা। আবার এশিয়া কাপে লিটন-নাজমুলের ব্যাটেও রান নেই। তাই তামিমের হঠাৎ ছিটকে যাওয়াতে বাংলাদেশ এখন দিগ্ভ্রান্ত তরি। যার প্রমাণ দুই ওপেনারকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া। যা একই সঙ্গে বর্তমান দুই ওপেনারের ওপর যে আস্থা টিম ম্যানেজমেন্টের নেই তাও প্রকাশ করে।

এদিকে, সৌম্য ও ইমরুল দুজনেরই সর্বশেষ ওয়ানডে গত বছর অক্টোবরে। প্রোটিয়া সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে এঁরা দুজনই শুরু ওপেন করেছিলেন। ইমরুল করেছিলেন ১, সৌম্য ৮। মাঝখানে সৌম্য আয়ারল্যান্ডের ‘এ’ দলের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ভালো খেললেও, ওয়ানডেতে বলার মতো কিছু করেননি। আর ইমরুলের অবস্থা তো আর ও করুন। তাই যে কারও মনে তাই প্রশ্ন জাগতে বাধ্য, ‘খারাপ খেলায় বাদ পড়েছিলেন যাঁরা, কী করে আবার তাঁরা ফিরছেন দলে? একই সঙ্গে যেই সিদ্ধান্তটা তামিম বাদ পড়ার পরেই নেওয়া উচিত ছিল, সেটা দুই ম্যাচ হারার পড়ে নেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত। এটা কি নির্বাচক প্যানেলের যোগ্যতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন তোলে না?

উপরে