আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ১৯:১৪

এশিয়া কাপ: ১৯৮৮-২০০০

অনলাইন ডেস্ক
এশিয়া কাপ: ১৯৮৮-২০০০

আগামী মাসেই এশিয়া কাপ। বিশ্বকাপের আগে এই এশিয়া কাপই  হবে টাইগারদের জন্য নিজেদের তৈরি করার সেরা মঞ্চ। শেষ তিন আসরে বাংলাদেশ এশিয়া কাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করে। এই তিন আসরে দুইবার রানার্সআপ হয় টাইগাররা। এক কথায় এশিয়া কাপ দিয়েই বড় দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে মাশরাফিরা।  কিন্তু শুরুটা এতো মসৃণ ছিলো না টাইগারদের জন্য। এশিয়া কাপ মানেই যেন ভালো করার আবির ছড়িয়েমাঠের লড়াইয়ে ‘পর্বতের মূষিক প্রসব’ করার গল্প।

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ খেলে ১৯৮৬ সালে। সেবার শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ওই আসরে অংশগ্রহণ করাই ছিল বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় অর্জন। ২ ম্যাচের দুটিতেই হারতে হয়েছিল গাজী আশরাফের দলকে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ আয়োজন করে বাংলাদেশ। প্রথম আসরের ব্যর্থতা ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যই ছিল টাইগারদের। কিন্তু ভারতপাকিস্তানশ্রীলঙ্কা`র মত ক্রিকেট পরাশক্তির বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে । ভারত সেবার এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়।

১৯৯০ সালে এশিয়া কাপ আয়োজন করে ভারত। প্রথম আসরের মতো শুধু ৩ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই আসরে অংশগ্রহণ করেনি পাকিস্তান। নিজেদের ৩য় আসরেও বাংলাদেশকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। ঘরের মাঠে শিরোপা রেখে দেয় ভারত।

৫ বছর ৫ম আসর অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে। ওই আসর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এশিয়া কাপের ৫ম আসরেও বাংলাদেশ পরাজয়ের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি। তিন ম্যাচের তিনটিতেই বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে টাইগারদের। ওই আসরেও চ্যাম্পিয়ন হয়ে টানা ৩ বার শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়ে আজহারউদ্দীনের ভারত।

১৯৯৭ সালে ২য় বারের মত এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয় শ্রীলঙ্কায়। সেবারও বাংলাদেশ সবকটি ম্যাচ হেরে এশিয়া কাপে টানা ১৩ ম্যাচে পরাজয় বরণের রেকর্ড করে টাইগার্স`রা। প্রতিটি ম্যাচেই বাংলাদেশের পরাজয়ের ব্যবধানও ছিলো বিশাল। পাকিস্তানের সঙ্গে ১০৯শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ১০৩ আর ভারতের সঙ্গে ৯ উইকেটে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় রানাতুঙ্গার শ্রীলঙ্কা।

২০০০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপ আয়োজন করে বাংলাদেশ। সেবারও চারটি দল নিয়েই অনুষ্ঠিত হয় এশিয়া কাপ। বাংলাদেশ ৩ ম্যাচের তিনটিতেই হারে। শক্তিশালী ভারতও সেবার মাত্র ১ ম্যাচে জয় পেয়ে বাংলাদেশের সঙ্গেই বাদ পরে। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৩৯ রানে হারিয়ে পাকিস্তান প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করে।

উপরে