আপডেট : ১৯ মার্চ, ২০১৬ ১৩:০০

ইডেনে আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ম্যাচ জেতেনি ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক
ইডেনে আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ম্যাচ জেতেনি ভারত

ইডেনে ভারত-পাকিস্তানের শেষ ম্যাচ ২০১৩ সালে। তারপর এই প্রথম সীমিত ওভারে ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। ইডেনে আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ম্যাচ জেতেনি ভারত।

বিশ্বকাপে যেমন পাকিস্তানের কাছে হারেনি ভারত। তেমনি ইডেনেও একদিনের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয় নেই ভারতের। ইডেনে ভারত-পাকিস্তানের শেষ একদিনের ম্যাচ ৩ জানুয়ারি ২০১৩। আর সেই ম্যাচ ভারত হেরেছিল ৮৫ রানে। ভারতের বিরুদ্ধে আজ টি-২০ বিশ্বকাপে নামার আগে এই পরিসংখ্যানেই মানসিকভাবে এগিয়ে থাকতে চাইছেন আফ্রিদিরা। 

ইডেনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচ ১৯৮৭ সালে। সেই ম্যাচ হেরেছিল ভারত। এরপর ইডেনে একদিনের ম্যাচে ভারত-পাকিস্তান একাধিকবার মুখোমুখি হলেও জয় নেই। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে যে একদিনের ম্যাচ ইডেনে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমিত ওভারের শেষ ম্যাচ বলে ক্রিকেট বুক-এ দৃত রয়েছে, সেই ম্যাচে পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২৫০ রান তুলেছিল। পাকিস্তানের পক্ষে নাসির জামশেদ ১০৬ রান করেছিলেন। জবাবে ভারত মাত্র ১৬৫ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল। ধোনি ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। সহবাগ করেছিলেন ৩১ রান। কোহলি,যুবরাজরা ব্যর্থ হয়েছিলেন ওই ম্যাচে। 

ইডেনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ম্যাচের ভয়ঙ্কর রেকর্ড যেমন ভারতীয় দলকে ভাবাচ্ছে, তেমনি ঘুরপাক খাচ্ছে আরও একটি প্রশ্ন। আর তা হল— ইডেনে বিশ্বকাপের একটি ম্যাচও এখন পর্যন্ত ভারত জিততে পারেনি। ১৯৯৫ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ইডেনে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। সেই ম্যাচের স্মৃতি আজও ভারতীয় ক্রিকেটকে তাড়া করে। কীভাবে গঙ্গার হাওয়ায় ঘুর্নি-নাচন নেচে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন বিনোদ কাম্বলি, তা আজও ক্রীকেটিয় আলোচনার চর্চায় থাকে। 

তবে, ইডেনে আজ জয় পেতে ভারতের মানসিক জোর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত রেকর্ড। আর সেই রেকর্ডের কথায় ভারতীয় ড্রেসিংরুমের সকলেরই মাথায় আছে। পাকিস্তানের সঙ্গে অন্য ম্যাচে আর যাই হোক, বিশ্বকাপের ম্যাচে বারবারই শেষ হাসি হেসেছে ভারত। সম্প্রতি, এশিয়া কাপেও পাকিস্তানকে হারিয়েছে তারা। তাই টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের কাছে ভারত হারলেও পাকিস্তান ম্যাচ সহজে ছেড়ে দেব না। এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। এর জন্য তাঁরা ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান সদস্যদের মানসিকতাকেই ইঙ্গিত করছেন। ধোনির এই দলে এক থেকে ৭ নম্বর পর্যন্ত ম্যাচ উইনার রয়েছেন বলে দাবি। যাঁরা যে কোনও মুহূর্তে খেলা ঘুরিয়ে দেওয়া ক্ষমতা রাখেন। এশিয়া কাপের ফাইনালে রান পেলেও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে রান পাননি শিখর। তাঁকে দেখে আউট অফ ফর্ম মনে হতে পারে। কিন্তু, তিনি ধোনি ব্রিগেডের ‘ডার্ক হর্স’ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আছেন কোহলি। যিনি যে কোনও জায়গা থেকে ম্যাচ বের করে নিতে সিদ্ধহস্ত। তার পরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোহলির রেকর্ড খুবই ভালো। শেষমুহূর্তে রয়েছেন ধোনির মতো ফিনিশার। একটা ম্যাচে হার মানে বিশ্বকাপ হাতছাড়া নয়। তাই বিশ্বকাপ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের ধারা আজকেও অব্যাহত রাখতে মরিয়া ধোনি ব্রিগেড। আর বিশ্বকাপের এই রেকর্ডে আজ ইডেনে শাপমোচনের আশায় ধোনিদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরাও।  

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আইএম

উপরে