আপডেট : ৫ মার্চ, ২০১৬ ১৫:২৫

ফের মাশরাফিরা হাসবেন আর প্রধানমন্ত্রী কাঁদবেন?

স্পোর্টস ডেস্ক
ফের মাশরাফিরা হাসবেন আর প্রধানমন্ত্রী কাঁদবেন?

এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার কে? অনেকেই বলবেন মাশরাফির নাম৷ সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি কে? হয়ত সবাই বলবেন শেখ হাসিনার কথা৷ এশিয়া কাপ ফাইনালের আগে দু'জনই আছেন আলোচনায়৷

৬ মার্চ, রবিবার বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল৷ কে জিতবে ফাইনালে? মহেন্দ্র সিং ধোনির দলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ জিততে পারবে তো বাংলাদেশ?

পুরো দেশ বড় আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দলের দিকে৷ সংযুক্ত আরব আমীরাত, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানকে হারানোর পর ভারতের বিরুদ্ধে একটি চরম স্বস্তির জয় দিয়ে মাশরাফিবাহিনী পরম আরাধ্য ট্রফি ঘরে তুলবে – এমন আশা করতেই পারে সবাই৷ খবর ডয়েচে ভেলের।

এত আশা কি দলের জন্য চাপ হতে পারে? পারে নিশ্চয়ই৷ তবে মাশরাফি এ বিষয়ে খুব সতর্ক৷ শাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিদায় করার দিনে তাই বাংলাদেশ অধিনায়ক সতীর্থদের ওপর চাপ না বাড়ানোর অনুরোধই জানিয়েছেন৷

কিন্তু ফাইনালের আগে দুই ফাইনালিস্টকে নিয়ে লেখালেখি হবে, আড্ডায় আড্ডায় সবাই নিজেদের ক্রিকেটপাণ্ডিত্য জাহির করবেন; দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের, শক্তি-দুর্বলতার প্রতিটি জায়গা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ তো হবেই৷ প্রশংসাও হবে ‘টাইগার' ক্রিকেটারদের৷ মাশরাফি চাইলেও কি এসব বন্ধ থাকে!

সবচেয়ে বেশি হচ্ছে মাশরাফি-বন্দনা৷ কেউ কেউ তো ফাইনালের দিনে ফেসবুক প্রোফাইল ছবির জায়গায় শুধু মাশরাফিকেই দেখতে চাইছেন৷ এমনটি চাওয়ার কারণও আছে৷ মাশরাফি যে তাঁর অধিনায়ত্ব আর ব্যক্তিত্ব দিয়ে জয় করে ফেলেছেন পুরো বাংলাদেশ! দেশের বাইরেও চলছে তাঁর স্তুতি৷

ফাইনালের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বাড়তি আলোচনায় রেখেছে ক্রিকেট৷ বাংলাদেশের বড় ম্যাচগুলোতে প্রায়ই গ্যালারিতে দেখা যায় তাঁকে৷ বাংলাদেশের জয়ে তাঁর আবেগে ভেসে যাওয়া অনেকবারই খবর হয়েছে৷ পাকিস্তানের বিপক্ষে মাশরাফিদের নাটকীয় জয়ের আনন্দে কেঁদেই ফেলেছিলেন শেখ হাসিনা৷

ফাইনালে অবশ্য আবার মাশরাফিদের হাসি আর প্রধানমন্ত্রীর আনন্দাশ্রুই দেখতে চাইবে বাংলাদেশ৷

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে