আপডেট : ২ মার্চ, ২০১৬ ১৩:৩৪

আরও একটি দুঃসংবাদ, মাহমুদউল্লাহর চোট

স্পোর্টস ডেস্ক
আরও একটি দুঃসংবাদ, মাহমুদউল্লাহর চোট

২০১৬ এশিয়া কাপ আসরে তিন ম্যাচের দুটিতে জিতে ফাইনালে যাওয়ার পথে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ বুধবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। হোম অব ক্রিকেট খ্যাত মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ম্যাচটি শুরু হবে। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলে দ্বিতীয় দল হিসেবে বাংলাদেশও ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে।

তবে হেরে গেলেও ক্ষীণ একটা সম্ভাবনা ঠিকই বেঁচে থাকবে। হঠাৎ চোট হানা দেওয়ার পরও বাংলাদেশ দলে কিছুটা হলেও স্বস্তির সুবাতাস দিচ্ছে তামিম ইকবালের প্রত্যাবর্তন। তাকে পাওয়ার পর ওপেনিং নিয়ে আর চিন্তার কিছু দেখছেন না কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। মোহাম্মদ মিঠুন খেললে সৌম্য সরকার চলে যেতে পারেন চার নম্বরে। মিঠুন না খেললে ওপেনিংয়েই নামবেন।

এদিকে আকস্মিকভাবে আরও একটি দুঃসংবাদ বাংলাদেশে দলের জন্য এসে কড়া নাড়ল। মুস্তাফিজুর রহমানের পর হালকা চোটে পড়েছেন মাহমুদউল্লাহও। মুস্তাফিজের চোট পাঁজরে আর মাহমুদউল্লাহরটা পিঠে। মুস্তাফিজ তো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন। তবে মাহমুদউল্লাহর পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার সম্ভাবনা কাল রাত পর্যন্তও ছিল। আজ সারা দিনে ব্যথা কমে গেলে হয়তো তিনি খেলবেন। আবার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে থাকতে পারেন মাঠের বাইরেও। এশিয়া কাপের ফাইনালে যে পূর্ণ শক্তির বাংলাদেশকেই লাগবে!

এদিকে মিরপুরে প্রথম দিনে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের সবুজ উইকেট এই কদিনে অনেকটাই ব্যাটসম্যানদের দিকে ঝুঁকেছে। তারপরও টুর্নামেন্টজুড়ে মোহাম্মদ আমিরের যা পারফরম্যান্স, পাকিস্তানের এই পেসারকে ভয় না পেয়ে উপায় নেই। মাশরাফির ভাষায়, ‘সব ধরনের বোলিং করার ক্ষমতা আছে তার।’ হাথুরুসিংহের সনদ তো আরও মর্যাদাপূর্ণ, ‘আমির বিশ্ব ক্রিকেটেরই উজ্জ্বল প্রতিভাদের একজন।’ তো এমন বোলারকে কীভাবে ঠেকাবেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা? কোচ-অধিনায়কের কথায় আভাস, আমিরকে যতটা সম্ভব সামলে খেলারই পরিকল্পনা এটেছেন তারা। কোচ তো বলেই দিলেন, ‘ম্যাচে তার প্রভাব কমানোর পরিকল্পনা করেছি আমরা।’

সেটা দুভাবেই হতে পারে। আমিরের ওপর চড়াও হয়ে, অথবা আমিরকে ঠেকিয়ে। বোলিং প্রান্ত থেকে যখন নতুন বল হাতে দৌড়ে আসবেন আমির, এর কোনটা করার জন্য ব্যাট তুলবেন তামিম? অলিখিত সেমিফাইনালের বাইরেও এই ম্যাচের স্লোগান তাই ‘তামিম বনাম আমির!’

তবে সঙ্গী যে-ই হোন, ওপেনিংয়ে তামিমের থাকাটা নিশ্চিত। সঙ্গে সৌম্য-মিঠুন দুজনই খেললে হয়তো কিপিং গ্লাভস জোড়া আবারও মুশফিকের হাতে তুলে দিয়ে দলের বাইরে চলে যাবেন নুরুল হাসান।

পিঠের ব্যথার কারণে মাহমুদউল্লাহকেও শেষ পর্যন্ত পাওয়া না গেলে অবশ্য অদলবদলের সমীকরণ অন্য রকমও হতে পারে। তবে মুস্তাফিজের অনুপস্থিতিতে একটা পরিবর্তন নিশ্চিত। পাঁজরের চোটে পড়া বাঁহাতি পেসারের জায়গা নেবেন নাসির হোসেন অথবা আরাফাত সানি। কোচ কাল চার পেসার খেলানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়ায় আবু হায়দারের কোনো সুযোগ দেখা যাচ্ছে না।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আইএম

 

উপরে