আপডেট : ১ মার্চ, ২০১৬ ১১:২০

যুবির জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হবে তথ্যচিত্র

স্পোর্টস ডেস্ক
যুবির জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হবে তথ্যচিত্র

জীবনটা তাঁর গল্পের মতোই। বাবা যোগরাজ সিংয়ের খুব ইচ্ছা ছিল, ভারতের হয়ে খেলবেন। খেলেছিলেনও। কিন্তু একটি টেস্ট খেলার পরই শেষ হয়ে যায় তাঁর ক্যারিয়ার। নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন ছেলে যুবরাজ সিংকে দিয়ে। যুবরাজের মধ্যেই নিজের স্বপ্নের পূর্ণতা খুঁজে পেয়েছিলেন যোগরাজ সিং। পরে পাঞ্জাবি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ভালোই নাম করেছেন। কিন্তু অকালেই ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার দুঃখটা ভুলতে পারেননি কোনো দিনই।
যুবরাজের জীবনও দারুণ বর্ণময়। ২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের দিন থেকেই তিনি তারকা। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ড ব্রডকে এক ওভারে ছয় ছক্কার কথা বলুন বা ২০১১ বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট-সেরা হয়ে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাই বলুন, ক্রিকেটার যুবরাজ সিংয়ের ক্যারিয়ারে কীর্তির অভাব নেই। তাঁর জীবনের গল্পটা আরও বর্ণময়। সেটি আরও আবেগময় হয়ে ওঠে, যখন তিনি লড়াই করেন ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির সঙ্গে। সে লড়াই থেকে ফেরেন আবার বিজয়ীর বেশেই। ক্যানসারকে জয় করে খেলার মাঠে ফেরাই যেখানে অনেক বড় ব্যাপার, সেখানে যুবরাজ নিজেকে আবার প্রমাণ করে ফিরেছেন জাতীয় দলেও।

এমন একটা গল্পই হয়তো নিজেদের পরবর্তী ছবির জন্য খুঁজে ফিরছিল বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণকারী সংস্থা অ্যাপেক্স এন্টারটেইনমেন্ট। দ্য রুকি, মিরাকল, ইনভিনসিবল, সেক্রেটারিয়েট, বিগ শট, মিডিয়াম ডলার আর্ম-এর মতো খেলাধুলাবিষয়ক ছবি তৈরি করেছে যে সংস্থা, তারাই তৈরি করছে যুবরাজ সিংয়ের জীবনের ওপর একটি তথ্যচিত্র।

কথাবার্তা চূড়ান্তই হয়ে গেছে। অ্যাপেক্সের কাছে জীবনের গল্পের স্বত্বও বিক্রি করে দিয়েছেন যুবরাজ। শিগগিরই শুরু হবে ছবির নির্মাণপর্ব। ছবিটির বাণিজ্যিক লক্ষ্য অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক ভারতীয় জনগোষ্ঠী। তবে এই ছবি ক্রিকেট খেলিয়ে যেকোনো দেশের মানুষের জন্যই বড় আকর্ষণ হওয়ার কথা।

অ্যাপেক্স এন্টারটেইনমেন্টের অন্যতম স্বত্বাধিকারী মার্ক চিয়ারদি বলেছেন, ‘জীবনের গল্প নিয়ে ছবি তৈরিতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের একটা সুনাম আছে। আশা করছি, আমরা যুবরাজ সিংকে নিয়ে যে ছবিটি তৈরি করব, সেটা সবাইকে আনন্দ দেবে।’ সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আইএম

 

 

উপরে