আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২২:৫৭

আমিরাতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়

বিডিটাইমস ডেস্ক
আমিরাতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়

এশিয়া কাপের বাছাইপর্বে টানা তিন ম্যাচে জয় তুলে নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু আসরটির মূলপর্বে এসে সফলতার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না আমিরাত। সোমবার পাকিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে যায় তারা। এই নিয়ে মূলপর্বে টানা তিন ম্যাচে পরাস্ত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত করল মধ্যপ্রাচ্যের দলটি।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাত্র ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়লেও ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। আমিরাতকে মাত্র ১২৯ রানে বেঁধে ফেললেও ব্যাটিং এর সূচনাটা ভালো করতে পারে নি পাকিস্তান। সার্জিল খান ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানে আমজাদ জাভেদের এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন। খুররম মাঞ্জুর ও রাতে জাভেদের বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন। মোহাম্মদ হাফিজ রানের গতি সচল রাখলেও ১১ রানে জাভেদের বলে ফাহাদকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। এরপরে হাল ধরেন শোয়েব মালিক ও উমর আকমল। দুজনেই দলকে শতক অতিক্রম করতে সহায়তা করেন। একই সাথে শতকের পার্টনারশিপ গড়েন। পাকিস্তানি এই দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত অর্ধশতকের ওপর ভর করে জয় ছিনিয়ে নেয়। শোয়েব মালিক ও উমর আকমল যথাক্রমে  রান করেন।

এদিকে আমিরাতের ব্যাটিং লাইনে প্রথম আঘাত হানেন মোহাম্মদ সামি। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে সামির ডেলিভারিতে রোহান মোস্তফা শহীদ আফ্রিদির হাতে ধরা পড়েন। আর তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে আমিরের বলে বোল্ড হয়ে যান মোহাম্মদ কলিম। পরের ওভারেই ইরফানের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে যান মোহাম্মদ শেহজাদ। এরপরে ৬ উইকেট হারিয়ে আমিরাত সংগ্রহ করে ১২৯ রান।

আন্তর্জাতিক টি২০-তে দুদলের এটিই প্রথম মুখোমুখি লড়াই। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ম্যাচটি। এশিয়া কাপ টি২০-এর ম্যাচে সোমবার সন্ধ্যায় ম্যাচ শুরুর আগেই টস ভাগ্যে হেরে যান পাক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। উইকেটের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে আরব আমিরাত অধিনায়ক আমজাদ জাভেদ শুরুতে ব্যাটিংয়ের সুযোগই গ্রহণ করেন।

এটি পাকিস্তানের শততম টি২০ ম্যাচ। প্রথম দল হিসেবে আন্তর্জাতিক টি২০-তে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে তারা। এই ম্যাচে অভিষেক হয়েছে পাকিস্তানের স্পিন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নেওয়াজের। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বোলাররা দুর্দান্ত খেলেছে। তবে মাত্র ৮৪ রানের লক্ষ্য ভারতের সামনে থাকায় ম্যাচে পুরো নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি আফ্রিদি বাহিনী।

পাকিস্তান : মোহাম্মদ হাফিজ, শারজিল খান, খুররম মনজুর, শোয়েব মালিক, উমর আকমল, সরফরাজ আহমেদ, শহিদ আফ্রিদি (অধিনায়ক) মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ সামি, মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ ইরফান।

সংযুক্ত আরব আমিরাত : রোহান মুস্তাফা, মুহাম্মদ কলিম, মোহাম্মদ শাহজাদ, সায়মন আনোয়ার, মুহাম্মদ উসমান, স্বপ্নিল পাতিল, আমজাদ জাভেদ (অধিনায়ক), ফাহাদ তারিক, আহমেদ রাজা, উসমান মুসতাক, মোহাম্মদ নাভিদ

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে