আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৪:১৮

মাশরাফি ভক্তদের জন্য বড় দুঃসংবাদ !

নিজস্ব প্রতিবেদক
মাশরাফি ভক্তদের জন্য বড় দুঃসংবাদ !

ক্রিকেট ভক্ত তথা মাশরাফি ভক্তদের জন্য বড় দুঃসংবাদই বটে । ‘জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ক্রিকেট ছেড়ে দিচ্ছেন’ । তবে সব ফরম্যাটের  ক্রিকেট নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা! লাল-সবুজ পতাকা গায়ে চড়িয়ে শুধু ওয়ানডে খেলবেন এটা এখন নিশ্চিত ।

বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটিই হবে মাশরাফির শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি। আর ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেরই ইতি টানার ইচ্ছা তাঁর।

টেস্টতো খেলছেনই না তিনি অনেকদিন ধরে। এবার ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা আসছে  মাশরাফির পক্ষ থেকে।  ২০০১ সালে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেওয়া মাশরাফি আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেই অবসরে যাচ্ছেন’ সেটা এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ব্যাপার মাত্র ।

বিষয়টি যেহেতু এখনো অফিশিয়াল ঘোষণা নয়, সেহেতু এখনই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন মাশরাফি। তবে আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচের পর নিজে থেকেই বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমি আর বেশি দিন নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ সিদ্ধান্ত তাঁর গত পরশুই নেওয়া নয়। বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে শিরোপা জয়ের পরপরই জাতীয় দলের কোচ চন্দিকা হাতুরাসিংহে এবং প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদকে জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁদের পরামর্শে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনাও করেছিলেন, কিন্তু শেষমেশ অবসরের পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে মাশরাফি পিছু হটছেন না বলেই খবর।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সফলতা ও ব্যর্থতার রাজ সাক্ষী মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০১ সালে ওয়ানডে ও টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয় তার। বোলার ও অধিনায়ক হিসাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার অবদান মূল্যায়ন করার মত।

পায়ে ৬টি অস্ত্রপাচারের পরও অদম্য মানসিকতার মাশরাফি খেলে গেছেন দেশের জার্সি গায়ে। অনেকে অনেক উপদেশ দিলেও কেউ কানে তোলেননি কোন উপদেশ। বরং নিজের উপর উচু বিশ্বাশ রেখে পরিশ্রম করে গেছেন। নিজেকে প্রস্তুত করেছেন খেলার উপযোগি করে।

পাঁচ বছর আগের সেই মাশরাফি এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অধিনায়ক। গত দেড় বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেট তার হাত ধরেই বদলে গেছে। ক্রিকেটকে তিনি এই ক’বছর দুই হাত ভরে দিয়েছেন।  ২০০১ সাল থেকে আঙুলের কড় গুনলে তা-ই হয়। প্রতিটা বছর, দিন-মাস-মুহূর্ত কত কী-ই না করেছেন মাশরাফি। কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্য মাড়িয়ে মধ্য তিরিশে পা রাখার পথে প্রেম-বিয়ে-বাবা হওয়া, বাড়ি-গাড়ি কত্ত বিজ্ঞাপন এবং অখণ্ড আড্ডা—সে অর্থে আর দশজন ব্যস্ত মানুষের মতোই কেটেছে জীবন। তবে আর দশজন থেকে তাঁকে আলাদা করেছে ক্রিকেট। জাগতিক সব কর্মকাণ্ডের মাঝেও যে মাশরাফির মনজুড়ে ক্রিকেট। টেস্ট ক্রিকেট প্রথম পছন্দ, কিন্তু ওটা খেলেন না সেই ২০০৯ সাল থেকে, কখনো খেলাও হবে না সম্ভবত। ওয়ানডেটা যে সবচেয়ে উপভোগ করেন, সে তো পারফরম্যান্স গ্রাফই বলে। টি-টোয়েন্টির ভক্ত কখনোই নন, তবে এটাই এখনকার বাস্তবতা আর শেষমেশ ক্রিকেট বলে এটাও ‘গোগ্রাসে খাচ্ছেন’ তিনি। কিন্তু আর নয়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ঘনিষ্ঠদের নাকি এমনটা জানিয়েও দিয়েছেন মাশরাফি। এ ফরম্যাট থেকে বিদায়ের জন্য ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটিকে বেছেও নিয়েছেন তিনি। আর ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেরই ইতি টানার ইচ্ছা তাঁর। তবে সে তো দূর ভবিষ্যতের ব্যাপার, আপাতত মাশরাফির বিদায় ভাবনায় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি।

সে ক্ষেত্রে ‘বিকল্প’ একটা প্রস্তাব পেতেও পারেন মাশরাফি। টি-টোয়েন্টি ছাড়লেও যেন দলের সঙ্গে ম্যানেজার কিংবা বোলিং কোচ হিসেবে থেকে যান তিনি। ড্রেসিংরুমে অধিনায়ক মাশরাফির অনুপস্থিতি পূরণের বিকল্প ব্যবস্থা আর কি!

ক্রিকেট ভক্ত তথা মাশরাফি ভক্তদের জন্য বড় দুঃসংবাদই বটে । ‘জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ক্রিকেট ছেড়ে দিচ্ছেন’ । তবে সব ফরম্যাটের  ক্রিকেট নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা! লাল-সবুজ পতাকা গায়ে চড়িয়ে শুধু ওয়ানডে খেলবেন এটা এখন নিশ্চিত ।

বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটিই হবে মাশরাফির শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি। আর ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেরই ইতি টানার ইচ্ছা তাঁর।

টেস্টতো খেলছেনই না তিনি অনেকদিন ধরে। এবার ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা আসছে  মাশরাফির পক্ষ থেকে।  ২০০১ সালে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেওয়া মাশরাফি আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেই অবসরে যাচ্ছেন’ সেটা এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ব্যাপার মাত্র ।

বিষয়টি যেহেতু এখনো অফিশিয়াল ঘোষণা নয়, সেহেতু এখনই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন মাশরাফি। তবে আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচের পর নিজে থেকেই বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমি আর বেশি দিন নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ সিদ্ধান্ত তাঁর গত পরশুই নেওয়া নয়। বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে শিরোপা জয়ের পরপরই জাতীয় দলের কোচ চন্দিকা হাতুরাসিংহে এবং প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদকে জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁদের পরামর্শে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনাও করেছিলেন, কিন্তু শেষমেশ অবসরের পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে মাশরাফি পিছু হটছেন না বলেই খবর।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সফলতা ও ব্যর্থতার রাজ সাক্ষী মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০১ সালে ওয়ানডে ও টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয় তার। বোলার ও অধিনায়ক হিসাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার অবদান মূল্যায়ন করার মত।

পায়ে ৬টি অস্ত্রপাচারের পরও অদম্য মানসিকতার মাশরাফি খেলে গেছেন দেশের জার্সি গায়ে। অনেকে অনেক উপদেশ দিলেও কেউ কানে তোলেননি কোন উপদেশ। বরং নিজের উপর উচু বিশ্বাশ রেখে পরিশ্রম করে গেছেন। নিজেকে প্রস্তুত করেছেন খেলার উপযোগি করে।

পাঁচ বছর আগের সেই মাশরাফি এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অধিনায়ক। গত দেড় বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেট তার হাত ধরেই বদলে গেছে। ক্রিকেটকে তিনি এই ক’বছর দুই হাত ভরে দিয়েছেন।  ২০০১ সাল থেকে আঙুলের কড় গুনলে তা-ই হয়। প্রতিটা বছর, দিন-মাস-মুহূর্ত কত কী-ই না করেছেন মাশরাফি। কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্য মাড়িয়ে মধ্য তিরিশে পা রাখার পথে প্রেম-বিয়ে-বাবা হওয়া, বাড়ি-গাড়ি কত্ত বিজ্ঞাপন এবং অখণ্ড আড্ডা—সে অর্থে আর দশজন ব্যস্ত মানুষের মতোই কেটেছে জীবন। তবে আর দশজন থেকে তাঁকে আলাদা করেছে ক্রিকেট। জাগতিক সব কর্মকাণ্ডের মাঝেও যে মাশরাফির মনজুড়ে ক্রিকেট। টেস্ট ক্রিকেট প্রথম পছন্দ, কিন্তু ওটা খেলেন না সেই ২০০৯ সাল থেকে, কখনো খেলাও হবে না সম্ভবত। ওয়ানডেটা যে সবচেয়ে উপভোগ করেন, সে তো পারফরম্যান্স গ্রাফই বলে। টি-টোয়েন্টির ভক্ত কখনোই নন, তবে এটাই এখনকার বাস্তবতা আর শেষমেশ ক্রিকেট বলে এটাও ‘গোগ্রাসে খাচ্ছেন’ তিনি। কিন্তু আর নয়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ঘনিষ্ঠদের নাকি এমনটা জানিয়েও দিয়েছেন মাশরাফি। এ ফরম্যাট থেকে বিদায়ের জন্য ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটিকে বেছেও নিয়েছেন তিনি। আর ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেরই ইতি টানার ইচ্ছা তাঁর। তবে সে তো দূর ভবিষ্যতের ব্যাপার, আপাতত মাশরাফির বিদায় ভাবনায় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি।

সে ক্ষেত্রে ‘বিকল্প’ একটা প্রস্তাব পেতেও পারেন মাশরাফি। টি-টোয়েন্টি ছাড়লেও যেন দলের সঙ্গে ম্যানেজার কিংবা বোলিং কোচ হিসেবে থেকে যান তিনি। ড্রেসিংরুমে অধিনায়ক মাশরাফির অনুপস্থিতি পূরণের বিকল্প ব্যবস্থা আর কি!

 

উপরে