আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১১:২৩

আমিরাতের বিপক্ষে আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ

বিডিটাইমস ডেস্ক
আমিরাতের বিপক্ষে আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে হার দিয়ে এশিয়া কাপের মিশন শুরু করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় টাইগাররা মুখোমুখি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। কোনো সন্দেহ নেই যে, আরব আমিরাত তুলনামূলকভাবে অনেক দুর্বল প্রতিপক্ষ। তবু খেলাটা টি ২০ বলে মাশরাফি বাগড়ম্বরতার পথে হাঁটলেন না। কোনো প্রতিপক্ষই সহজ নয় বলে নিরাপদে রইলেন। বাছাইপর্বে তিন ম্যাচে মাত্র ৪৮ রান করা শাইমান আনোয়ার আরব আমিরাতের টপস্কোরার। এতেই বোঝা যায় তাদের ব্যাটিং শক্তি।

বোলিংয়ে অবশ্য তুলনামূলকভাবে তারা কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ। তাদের কোচ আকিব জাভেদ সাবেক পাকিস্তানি পেসার। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের পরীক্ষা নেয়ার সামর্থ্য আরব আমিরাতের বোলারদের নেই। সুতরাং, নিজেদের আঙিনায় মহাদেশীয় আসরে প্রথম হারের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য আমিরাত খুব ভালো টনিক হতে পারে মাশরাফিদের।

তবে আরব আমিরাতও যে ছেড়ে কথা বলবে না তার প্রমাণ গত ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে রেখেছে তারা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ভালো বোলিং করেছে আরব আমিরাত। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের মাত্র ১২৯ রানে আটকে ফেলে তারা। তবে খুব বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা না থাকার কারণেই হয়তো লংকানদের বিপক্ষে ১৪ রানে হারতে হয়েছে আমিরাতকে।

এদিকে ভারতের বিপক্ষে মাশরাফিদের শুরুটা উড়ন্তই দেখতে চেয়েছিল সবাই। কিন্তু সেটা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি। যদিও ধোনির দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ভালো শুরু করেও সেটা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ম্যাচে জয়টাও তাই হাতছাড়া হয়েছে টাইগারদের। আর তাই শুক্রবার নতুন পরীক্ষার সামনে সাকিব-মাশরাফিরা।

তুলনামূলক ভাবে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সহজতম ম্যাচ হওয়ার কথা সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষেই। কিন্তু প্রথম ম্যাচ হারার পর এই ম্যাচটিও এখন দারুণ গুরুত্বপূর্ণ। মাশরাফিও ভারত ম্যাচের মতোই গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন আরব আমিরাতকে।

টুর্নামেন্টে টিকে থাকা, জয়ের ধারায় ফেরা; সবদিক থেকেই এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই স্বাগতিকদের। এ বিষয়ে মাশরাফি বলেন, ‘ক্রিকেটে হতে পারে যে কোনো কিছুই। ভারতের বিপক্ষে আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করেছি, ঠিক একই রকম সমান গুরুত্ব দিয়ে আমাদের মাঠে নামতে হবে আরব আমিরাতের বিপক্ষেও। এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য।’

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ চার পেসার নিয়ে একাদশ গড়েছিল। আরব আমিরাতের বিপক্ষে অবশ্য স্পিনের উপরই বেশি গুরুত্ব দেবে স্বাগতিকরা। একাদশ থেকে তাই একজন পেসারকে বাইরে রেখে আরাফাত সানিকে সুযোগ দিতে পারে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজম্যান্ট।

টি২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিং ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে আগে থেকেই। তাই এই টুর্নামেন্টে তামিম ইকবাল না থাকায় ওপেনিং নিয়ে কিছুটা মাথা ঘামাতে হচ্ছে স্বাগতিকদের। ভারতের বিপক্ষে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেন করেছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। ইমরুল কায়েস ব্যাট করেছেন চারে। বাংলাদেশেরও লক্ষ্য কম্বিনেশন ঠিক করেই আরব আমিরাতের বিপক্ষে বড় জয় তুলে নেয়া।

বাংলাদেশের টি২০ সেরা ব্যাটম্যান সাব্বির রহমান ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেছেন। এশিয়া কাপের ফাইনালে যেতে হলে আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয়ের পর, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার বিপক্ষেও জিততে হবে মাশরাফি বিগ্রেডের। তবে শুক্রবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ হারলে শিরোপ লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়ার উপক্রম হবে সাকিব-মাশরাফিদের।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

উপরে