আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২১:২৪

দাপুটে বোলিংয়ে লঙ্কানদের ১২৯ রানে থামিয়ে দিলো আমিরাত

স্পোর্টস ডেস্ক
দাপুটে বোলিংয়ে লঙ্কানদের ১২৯ রানে থামিয়ে দিলো আমিরাত

সরাসরি খেলতে পারেনি মূল পর্বে। প্রথমে খেলতে হয়েছে বাছাই পর্ব। আর সেই বাছাই পর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে আসা আমিরাত কিভাবেই না কাঁপিয়ে দিলো শ্রীলঙ্কাকে! মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে তারা দেখিয়েছে মিডিয়াম পেসের দাপট। সেই দাপটে একটা পর্যায়ে গিয়ে লঙ্কানদের ইনিংস প্রায় প্রাণহীন হয়ে চলেছে। টুর্নামেন্ট ফেভারিট শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে করেছে মাত্র ১২৯ রান।

সবচেয়ে ছোটো সংস্করণের এই ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কা দুর্দান্ত। কিন্তু এই দলটি গোছানো না। সেই সুযোগ নিতে টস জিতে তাদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে দিলেন আমিরাত অধিনায়ক আমজাদ জাভেদ। এই দলটির কোচ আকিব জাভেদ। পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার। অধিনায়ক আমজাদ মিডিয়াম পেসার। মোহাম্মদ নাভিদও ভালো পেসার। এই পেসাররাই লঙ্কানদের পোড়ালেন।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ওপেনিং জুটির ৯.১ ওভার। এবং এরপর বাকি ব্যাটসম্যানদের ইনিংস। তিলকারত্নে দিলশান হালে ফর্মে নেই। শেষ ৫ ম্যাচে রান ৬৪। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী বারবার বদলাচ্ছে। এবার আসলেন দিনেশ চান্দিমাল। খুব বিস্ফোরক কিছু হলো না। কিন্তু রান আসলো। ৬৮ রান তারা এনে দিলেন। ২৮ বলে ২৭ রানে আউট দিলশান।

দিলশানকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আমজাদ। এই ডান হাতি পেসার পরপর তিন ওভারে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কার ইনিংসটাকে টেনে ধরেন। মিলিন্দা সিরিওয়ার্দানের (৬) পর চান্দিমালও আমজাদের শিকার। ৩৯ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫০ রান করেছেন চান্দিমাল।

এরপর খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলেছে লঙ্কানরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। বেসিক ধরে রেখে বল করে গেছেন আমিরাতের বোলাররা। তাতেই কাজ হয়েছে। এক সময় মরীয়া হয়েও ব্যাট চালিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। তাতেও লাভ হয়েছে আমিরাতের। মাঝের দুই উইকেট নিয়েছেন বাছাই পর্বের সফল বোলার নাভিদ। শেষের দিকে আরেক পেসার মোহাম্মদ শাহজাদেরও শিকার ২ উইকেট। ৮ উইকেটের ৭টি পেসারদের। লঙ্কানদের পরের দিকে দুই ব্যাটসম্যান কেবল ১০ রান করতে পেরেছেন। অন্যরা তো তাও করতে পারেননি। আমিরাতের জন্য দারুণ ব্যাপারই বটে।

উপরে