আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৩:৫৭

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় উইকেটের পতন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় উইকেটের পতন

যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জয়ের জন্য ২২৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংযে অনেকটা উড়ন্ত সূচনা করলেও তা দীর্ঘ করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দলীয় ৪৫ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙতে সক্ষম হয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। ইমলাচকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান তিনি। এর পর দ্বিতীয় আঘাত আনে মিরাজ ইনিংসের সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে সাজ ঘরে ফেরান পপ কে।

এর আগে মেহেদি হাসান মিরাজের অধিনায়কোচিত ইনিংসে ভর করে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট  ইন্ডিজের বিপক্ষে ২২৬ রান করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। মাত্র ১১৩ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের ব্যাটে লড়াইয়ে ফিরে যুব টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষে সবকটি উইকেট হারিয়ে ক্যারিবীয় যুবাদের ২২৭  রানের জয়ের লক্ষ্য বেধে দেয় স্বাগতিকরা। 

বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যুব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলনেতা মিরাজ। তবে কুয়াশায় ঘেরা মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে মাত্র ২৭ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার পিনাক ঘোষকে হারায় যুব টাইগাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে হোল্ডারের বলে রানের খাতা খোলার আগেই পলের হাতে ধরা পড়েন তিনি। পরে সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাইফ হাসান সাজঘরে ফেরেন। আলজারি জোসেফের বলে গুলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

তাদের পথ ধরেই হেটেছেন দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান জয়রাজ শেখ, নাজমুল হাসান শান্ত ও জাকির হাসান। দলীয় ৫৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যক্তিগত ১১ রানে আউট হন। জনের বলে হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। আর দলীয় ৮৮ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন ৩৫ রান করা জয়রাজ। সবশেষ ২৮তম ওভারে দলীয় ১১৩ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন জাকির। স্প্রিঙ্গারের বলে জয়রাজ ও হোল্ডারের বলে জাকির বোল্ড হন। 

এরপর পঞ্চম উইকেট উইকেট জুটিতে এখন ব্যাট করছেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। অধিনায়ক মিরাজ হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন। এই জুটিরও ৮৫ রানে ভর করেই মোটামুটি লড়াকু স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ। মিরাজ ৭৪ বল থেকে সাত চারের মারে করেন ৬০ রান। সঙ্গী সাইফুদ্দিন ৫৫ বলে তিন চারের মারে করেন ৩৬ রান। 

দলীয় ১৯৮ রানে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি ভাঙে। পরে নির্ধারিত ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২২৬ রান। 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে