আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১২:৫৮

ইতিহাস গড়তে যুবাদের লক্ষ্য ২১২

স্পোর্টস ডেস্ক
ইতিহাস গড়তে যুবাদের লক্ষ্য ২১২

প্রথমবারের মতো যুবাদের সবচেয়ে বড় আসর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের ওঠার হাতছানি। মুশফিক, সাকিব, তামিম, নাফিস, আশরাফুলদের মত তারকা ক্রিকেটাররা যা পারেননি তাই করে দেখানোর সুযোগ মিরাজদের সামনে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশকে টপকাতে হবে নেপালের দেওয়া ২১২ রানের লক্ষ্য। নেপালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭২ রান করে দলীয় অধিনায়ক রাজু রিজাল।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরুতে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল। খেলতে নেমে সূচনাটা দেখেশুনে করলেও বেশিক্ষণ আর নিজেদের সামলে খেলতে পারেনি দলটি। অবশ্য শেষ দিকে লড়াকু স্কোরই গড়তে সক্ষম হয় হিমালয় কন্যা। 

৫.২ ওভারে ওপেনার সুনারকে বোল্ড করে বিদায় দেন বাংলাদেশের পেসার সাইফ উদ্দীন। এরপরের ওভারেই ফিরে যান নতুন ব্যাটসম্যান কার্কি (১)। মেহেদী হাসান রানার বাউন্সার সামাল দিতে গিয়েও পারেননি তিনি। নিজেকে নিচু করে সামাল দিতে গেলে ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় স্লিপে থাকা জয়রাজ শেখের হাতে।

এরপর শুরুর ধাক্কা সামাল দেন ওপেনার সুনিল ধামালা (১৯) ও রাজু রিজাল (২১)। এই দু’জনে ভর করে তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৪৪ রান। তবে দলীয় ৬৩ রানে ওপেনার ধামালাকে রান আউট করলে ভাঙে এই জুটি। ধামালা বিদায় নেন ২৫ রানে। এরপর আরিফ শেখ (২১) কিছুক্ষণ রানের যোগান দিলেও তাকে ফেরান পেসার সাইফ উদ্দীন।

দীর্ঘক্ষণের সঙ্গী না পেলেও নেপালকে এগিয়ে নিতে থাকেন অধিনায়ক রাজু রিজাল। নিজের ব্যাটিং কারিশমা দেখিয়ে তুলে নেন বিশ্বকাপে প্রথম হাফসেঞ্চুরি। কিন্তু ব্যক্তিগত ৭২ রানে আটকে যেতে হয় রাজুকে। দলীয় ১৪৬ রানে শান্তর থ্রোতে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় নেপালের অধিনায়ককে।

এরপর ব্যাটসম্যান রাজবির সিংকে (৯) এলবিডব্লু করে বিদায় দেন সালেহ আহমেদ শাওন। এরপর ফিরে যান কুশল ভারতেল (১৪), এইরি (২২) ও কান্ডেল (২)। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২১১ রান সংগ্রহ করে নেপাল।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে