আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৯:১৪

পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিরিজে ড্রয়েই সান্ত্বনা

স্পোর্টস ডেস্ক
পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিরিজে ড্রয়েই সান্ত্বনা

বাংলাদেশের জন্য এক ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিরিজ ছিলো এটি। তৃতীয় ম্যাচে নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে ডুবেছিল বাংলাদেশ। হারতে হয়েছিল ৩১ রানে। যেখানে নবীনদের পরখ করতে অভিজ্ঞদের স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছিল।

শুক্রবার চতুর্থ ম্যাচে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে ছিলো বাংলাদেশ। আর সে লক্ষ্যে একাদশে ছিলো তিনটি পরিবর্তন। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশের ফল কতোটা ইতিবাচক হয়েছে ম্যাচে শেষে তা স্পষ্ট।

ঘরের মাঠে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারলো মাশরাফির দল। শুক্রবার খুলনায় জিম্বাবুয়ের কাছে ১৮ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা। ফলে চার ম্যাচের টি-২০ সিরিজ ২-২ ড্রয়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে।

শুরুর চিত্রটা বেশ হতাশারই। ১৮০ রান দেখেই ঘাবড়ে গিয়েছিল কি না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা- সেটা বিশ্লেষণের দাবি রাখে। কারণ, মাত্র তিন ওভার শেষ হতে না হতেই চার উইকেট উধাও বাংলাদেশের। সৌম্য সরকার, তামিম ইকবাল, সাব্বির রহমান এবং সাকিব আল হাসান।

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের চারটি স্তম্ভই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়লো। অথচ তখন সংগ্রহ মাত্র ১৭ রান। নিঃসন্দেহে বলা যায় চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশের ব্যাটিং।

এরপর ইমরুলকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ইমরুল ১৮ ও নুরুলকে ১৫ রানে সাজঘরে ফেরান স্পিনার সিকান্দার রাজা। বাংলাদেশের দলীয় রান তখন ১৩.২ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১১০। অধিনায় মাশরাফিকে সঙ্গে নিয়ে আরও এগিয়ে যায় মাহমুদউল্লা রিয়াদ।

কিন্তু রিয়াদ ব্যক্তিগত ৫৪ রানে টেন্ডাইয়ের বলে বোল্ড হলে তখন দলের পক্ষে লড়াই করেন মাশরাফি। অধিনায় মাশরাফি ১২ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়।

অবশ্য শেষ মুহূর্তে ব্যাট হাতে ম্যাচ নিজেরে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন আবু হায়দার রনি ও আরাফাত সানী। পেসার রনি ১৪ ও সানি ১০ রানে আউট হলে শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৬২ রানে গুটিয়ে যায় মাশরাফির টিম বাংলাদেশ।

এর আগে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। বল হাতে মাশরাফি, রনি, তাসকিন ও সাকিব একটি করে উইকেট নেন।

হ্যামিল্টন মাসাকাদজার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিং করেন। তিনি ৫৮ বল খেলে ৯৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। এছাড়া দলটির পক্ষে সিবান্দা ৪, রিচমন্ড মুতুম্বামি ৩২, ম্যালকম ওয়ালার ৩৬ রান করেন। অধিনায়ক চিগুম্বুরা ৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে