আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০১৬ ২২:৩১

১১ বছর বয়সেই মৃত্যুঞ্জয়ী শচীন

বিডিটাইমস ডেস্ক
১১ বছর বয়সেই মৃত্যুঞ্জয়ী শচীন

২২ গজে দীর্ঘ আড়াই দশক দাপিয়ে বেড়ানো শচীন ক্রিকেটকে দিয়েছেন অনেক। ক্রিকেটের ঈশ্বর বলা হয় তাকে। স্কুলজীবনে একবার মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই রেলওয়ে পুলিশের এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে এসে এই অভিজ্ঞতার কথাই জানালেন ক্রিকেটের জীবন্ত কিংবদন্তি লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার।

ছোটবেলার সেই ঘটনা বললেন শচীন, ‘মাত্র ১১ বছর বয়সে আমি মুম্বাইয়ে একটি ট্রেনে সফর করছিলাম। সঙ্গে কিট ব্যাগও ছিল। ট্রেনে প্রচন্ড ভিড় থাকায় ভেতরে ঢুকতে পারিনি। সেই সময় হঠাৎ করেই ভিতর থেকে চাপ আসতে শুরু করে। আর আমি বাইরে পড়ে যাই… মৃত্যুর মুখ থেকে এভাবে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা সারাজীবন সঙ্গে থাকবে।’

টেন্ডুলকার বলেন, সেদিন আমরা পাঁচ-ছয়জন ভিলা পার্লে এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে সকালে অনুশীলন করে সেই বন্ধুর বাড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে একটা সিনেমা দেখি। সিনেমা দেখতে দেখতে বিকেলের অনুশীলনে দেরি হয়ে গিয়েছিলো। আমাদের যেতে হবে দাদার নামের একটা জায়গায়।

তাড়াহুড়ো করে ট্রেন ধরার জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম রেল লাইন অতিক্রম করে দ্রুত অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার। তখনই মুখোমুখি হলাম সেই বিপজ্জনক ঘটনার। রেল লাইনের মাঝামাঝি জায়গায় আসতেই দেখি বিভিন্ন লাইন দিয়ে বেশ কয়েকটা ট্রেন ছুটে আসছে। ওই মুহূর্তের কথা ভাবলে আজও গা শিউরে ওঠে আমার। কোনোমতে দুই রেল লাইনের মাঝামাঝি ফাঁকা জায়গায় হাঁটু গুজে উবু হয়ে নিজেদের বাঁচিয়েছিলাম আমরা।তার পর থেকে আর কখনও ওই রকম ঝুঁকি নিইনি।

ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে বা ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে কত মানুষ নিজেদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন। সেই হিসেব শুনে স্তম্ভিত শচীন। নিজের গল্প শুনিয়ে সবাইকে সাবধান থাকার পরামর্শই দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে