আপডেট : ১৭ মার্চ, ২০১৮ ১৮:১৫

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের হাওরে বিউটি আক্তার (১৬) নামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শায়েস্তাগঞ্জের পুরাইকলা বাজার সংলগ্ন হাওর থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। নিহত বিউটি আক্তার উপজেলার ব্রাহ্মনডুরা গ্রামের সায়েদ আলীর মেয়ে।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্র্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে হাওর থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের শরীরে ৮/১০টি ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তবে তাকে কে বা কারা কেন হত্যা করেছে তা তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানান তিনি।

ওসি আরো জানান, বেশ কিছুদিন আগে বিউটি আক্তারকে অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয়েছে মর্মে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন বিউটির বাবা সায়েদ আলী। যাতে আসামি করা হয় একই এলাকার মলাই মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (৩০)সহ তিন জনকে। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশকে ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য আদেশ দেন। একই সাথে মামলাটি এফআইআর করার জন্য আদেশ প্রদান করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত এক সপ্তাহ আগে পুলিশ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে।

নিহত বিউটির বাবা সায়েদ আলী বলেন, আমার মেয়েকে বাবুল বেশ কিছুদিন আগে অপহরণ করে ধর্ষণ করেছিল। যা নিয়ে আমি আদালতে মামলা করেছি। এরই প্রেক্ষিতে তারা মামলা তুলে নিতে আমি ও আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা আমার মেয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই আমিসহ আমার পরিবার বিউটিকে খুঁজে পাইনি। পরে অনেক খুঁজাখুঁজির পর না পেয়ে সারারাত আমরা হতাশার মধ্যে কাটাই। সকালে হাওরে তার লাশ পড়ে রয়েছে বলে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সনাক্ত করি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে