আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০১৭ ২০:৩৮

পুরোদমে চলছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ

অনলাইন ডেস্ক
পুরোদমে চলছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ

পুরোদমে চলছে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ। এরই মধ্যে ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের তৃতীয় ধাপের ঢালাই শেষ হয়েছে। ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শক্তির অধিকারী তিন হাজার ৫০০ কিলোজুল শক্তির হ্যামার। বিজয় দিবসের আগেই পিলারের ওপর দুটি স্প্যান বসবে বলে আশাবাদী পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলীরা।

পদ্মা সেতু হচ্ছে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য (পানির অংশের) ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। গত শুক্রবার সকালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হ্যামার পদ্মা সেতু প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে। হ্যামারের সঙ্গে আরো কিছু আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি আসবে কিছুদিনের মধ্যেই। এরপর আগামী মাসের প্রথম দিকে এই হ্যামার দিয়ে পুরোদমে কাজ শুরু হবে। মূল সেতুর ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

পদ্মা সেতু প্রকৌশলী সূত্র জানায়, জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের তৃতীয় ধাপের ঢালাই এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ফাইনাল লেয়ার কংক্রিটিং শুরু হবে। বর্তমানে ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের পিয়ার কলামের ফাইনাল লেয়ার রড বাঁধাইয়ের কাজ চলছে। এরপর চতুর্থ ধাপের কংক্রিট ঢালাই শুরু হবে। চলতি মাসের শেষের দিকেই আরেকটি স্প্যান বসানোর জন্য পিলারগুলো উপযোগী হবে।

আরো জানা যায়, পদ্মা সেতুর ৩৯ নম্বর পিলারকে ঢালাই উপযোগী করতে পর্যায়ক্রমে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পিলারের রডের খাঁচা বাঁধাই করে বসানো শেষ হয়েছে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই ৩৯ নম্বর পিলারের শাটারিং শুরু হবে। শাটারিং শেষ হলেই কংক্রিট ঢালাই হবে এবং এরপর প্লিন্ট লেভেলে কংক্রিটিং ঢালাই শুরু হবে। এরপর স্প্যান বসানোর উপযুক্ত হবে পিলারটি। এ ছাড়া ৪০ নম্বর পিলারের ফাইনাল লেয়ারের রড বাঁধাইয়ের কাজ চলছে। ৪২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ ঢালাই শেষ। খুব শিগগির পিয়ার কলামের রড বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হবে। এর পরে পিয়ার কলামের প্রথম ধাপের ঢালাই শুরু হবে।

এদিকে, ৪১ নম্বর পিলারের ভেতরের কাজগুলো চলছে। পুরোপুরি পাইলটি উপযোগী হতে চলতি বছর লেগে যাবে। ২০১৮ সালের দিকে পাইল ক্যাপের কাজ শুরু হবে। মাওয়ার কুমারভোগ ওয়ার্কশপে ৭বি ও ৭সি নামে দুটি স্প্যানকে পিলারের ওপর স্থাপনের জন্য উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। শেষ ধাপে রঙের কাজ শেষ হলে মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তে নিয়ে আসা হবে। এসব কাজে বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিখুঁতভাবে যাচাই-বাছাই করে পরামর্শ এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে