আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০১৭ ১২:৫৩

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকা ধর্ষণ : চার নম্বর আসামি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
 শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকা ধর্ষণ : চার নম্বর আসামি গ্রেপ্তার

বরগুনার বেতাগীতে শিক্ষিকা ধর্ষণে ঘটনার দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. মেহেদী হাসান রবিউলকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিউল বেতাগী উপজেলার হেসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মো. সুলতান হোসেনের ছেলে ও এ মামলার চার নম্বর আসামি।

এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম বলেন, 'ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের জন্য রাতভর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে সকালে মেহেদী হাসান রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করার স্বার্থে কোন স্থান অথবা এলাকা থেকে রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা বলতে রাজি হননি পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম।

তিনি আরো বলেন, রবিউলকে ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে হাজির করা হবে। তবে, আদালতে তার রিমান্ড চাওয়া হবে কি না, তা এখনই বলতে রাজি হননি তিনি।

বরগুনার বেতাগীতে স্বামীকে আটকে রেখে শ্রেণিকক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেতাগী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মো. হিরন বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাস (৩৫), আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মো. রাসেল (২৪), আ. কুদ্দুস কাজীর ছেলে সুমন কাজী (৩০), মো. সুলতান হোসেনের ছেলে মো. রবিউল (১৮), আ. রহমানের ছেলে মো. হাসান (২৫) ও মো. আবদুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল (৩০)।

 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বেতাগী উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকা ও তাঁর স্বামী গত বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর বিদ্যালয়ে বসে কথা বলছিলেন। তাদের কথোপকথন দেখে অভিযুক্তরা স্কুলের মধ্যে প্রবেশ করতে চাইলে ওই শিক্ষিকা ভয়ে স্কুলের প্রধান দরজায় তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেন। এ সময় অভিযুক্তরা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারধর করে স্কুলের একটি কক্ষে আটকে রেখে অপর একটি কক্ষে স্কুলশিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে চলে যায়।

উপরে