আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০১৬ ০৮:৫৩

নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় ১২ জনের ফাঁসি

বিডিটাইমস ডেস্ক
নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় ১২ জনের ফাঁসি
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ফিরোজ কবির মিরন ও তার কর্মচারী সুমন পালকে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ১২ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া প্রাপ্তদের এক থেকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। অপর ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।
 
বুধবার বিকালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২য়) এ এন এম মোরশেদ খান এ রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন, মোফাজ্জেল হোসেন জাবেদ, কামরুল হাছান ওরপে কামরুল ডাকাত, এলজি কামাল হোসেন, মো. রাশেদ ড্রাইভার, আব্দুস সবুর, জাফর হোসেন মুন্না, আলী আকবর সুজন, সামছুদ্দিন ভুট্টো, সাহাব উদ্দিন, নাসির উদ্দিন মঞ্জু,  মো. আবু ইউছুফ সুমন ও তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল।
 
অন্য দিকে খালাস প্রাপ্তরা হলেন, চোরা কামাল হোসেন, সামছুদ্দিন, রশিদ পাটোয়ারী, মিজানুর রহমান ডাকাত, আনোয়ার হোসেন বাচ্ছু চেয়ারম্যান, মীর জুমলা মিঠু চেয়ারম্যান, আবু ছায়েদ শিপন, ইমাম টিপু, মোটা কামাল হোসেন ও মো. মাসুদ। মূল মামলায় ২৩ জন আসামি ছিল। তাদের মধ্যে একজন র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন। তাকে এই মামলা থেকে রেহাই দেয়া হয়। রায় প্রদান কালে সাজা প্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে আবু ইউসুফ সুমন ও তোফাজুল হোসেন জুয়েল উপস্থিত ছিলেন। অন্য সাজা প্রাপ্তরা পলাতক রয়েছেন।
 
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালে ১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর মোবাইল ফেয়ার দোকানের মালিক ফিরোজ কবির মিরন ও তার ভাই সামছুল কবীর রুবেল এবং তাদের কর্মচারী সুমন পাল দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে ভুলুয়া স্টেডিয়াম এলাকায় পৌঁছলে ডাকাতরা তাদের মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে আসামিরা তাদের চুরিকাঘাত করলে সুমন পাল ঘটনারস্থলে নিহত হন। গুরুত্বর আহত অবস্থায় ফিরোজ কবির মিরন ও তার ভাই সামছুল কবীর রুবেলকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়ার পথে মিরন মারা যান। পরদিন মিরণের পিতা আবু বকর ছিদ্দিক বাবুল বাদী হয়ে সুধারাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলা চলাকালীন প্রধান আসামিসহ ৯ জনকে পুলিশ গ্রফতার করে। পরে গ্রেফতারকৃতরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পালিয়ে যায়।
 
রাষ্ট্র পক্ষের এপিপি ফজলুল কবির রুবেল ও বাদী পক্ষে সাইফুল ইসলাম এবং আসামির পক্ষে রফিকুল ইসলাম, মোল্লা হাবিবুর রাছুল মামুন, মোশারফ হোসেন মাসুদ, সামসুল ইসলাম ও রবিউল আউয়াল পলাশ মামলা পরিচালনা করেন।
 
সূত্র-ইত্তেফাক
 
বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম
উপরে