আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০১৬ ০৯:২৪

১৩৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ইউপি নির্বাচন বর্জন

৬৫ কেন্দ্র স্থগিত
বিডিটাইমস ডেস্ক
১৩৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ইউপি নির্বাচন বর্জন

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ১৩৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপির ৫২ এবং আওয়ামী লীগ দলীয় ৪ জন। এছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র ৭৭ প্রার্থী ভোট বর্জন করেন। ভোট কারচুপি, ব্যালট ছিনতাই, কেন্দ্র দখল, হামলা, ভাংচুর, সংঘর্ষ ও এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে তারা ভোট বর্জন করেছেন। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার সহকারী সচিব আশফাকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, অনিয়ম ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৬৫টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। বিস্তারিত যুগান্তর ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে-
বরিশাল, আগৈলঝাড়া, বানারীপাড়া ও বাবুগঞ্জ : সদর উপজেলার রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নে পপুলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় স্থগিত করা হয়েছে চরকাউয়া ইউনিয়নের পূর্ব কর্ণকাঠি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ।
জাল ভোটের অভিযোগে উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও সাতলা ইউনিয়নের জামবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। মেহেন্দীগঞ্জের চাঁনপুর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।
মেহেন্দীগঞ্জের দড়িরচর খাজুরিয়া ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আবদুল কাদের অভিযোগ করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোস্তফা রাঢ়ী ভোট শুরুর পর ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেয়াসহ তার এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেন। এজন্য তিনি ভোট বর্জন করেছেন। একই অভিযোগে হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নে আফসার উদ্দিন হাওলাদার, হরিনাথপুর ইউনিয়নে মনজুর কবির, গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নে আলী আহমেদ হাওলাদার ও বড়জালিয়া ইউনিয়নে খলিলুর রহমান, বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী মজিবুর রহমান, চরাদি ইউনিয়নের অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ডাকুয়া, ফরিদপুরের কাইউম খান, কবাইয়ের নাসির উদ্দিন খান, নলুয়ার মাইনুল ইসলাম মনির, কলসকাঠির শওকত হোসেন হাওলাদার, গারুড়িয়ার মোতালেব হোসেন খান, ভরপাশার হারুন-অর রশিদ সিকদার, পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের সাজ্জাদুল ইসলাম, উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন, শোলক ইউনিয়নের বিএনপির মশিউর রহমান মনির, গৌরনদীর নলচিড়া ইউনিয়নের বিএনপির মির্জা সেকান্দার আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওয়ার্কার্স পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল হোসেন এবং সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ভোট বর্জন করেন। বাবুগঞ্জের দেহেরগতিতে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী জসিম উদ্দিন শুভ ভোট বর্জন করেছেন। এখানে একটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।

আগৈলঝাড়ার বাকাল ইউনিয়নে ঘোড়া মার্কার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী লাবণ্য আক্তার ভোট বর্জন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সবগুলো কেন্দ্রে ভোট কারচুপি, এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিকাল ৩টার দিকে প্রিসাইডিং অফিসার নজরুল ইসলাম ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করেন।
রতœপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহীন আলম টেনু (আনারস) দলীয় প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থক এবং প্রশাসন নগ্ন অবস্থান নেয়ায় দুপুরে লিখিতভাবে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

বাগধা ইউনিয়নের আমবৌলা কেরামতিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারসহ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করার কথা জানান প্রিসাইডিং অফিসার মো. জহিরুল হক।
অপরদিকে ব্যালট পেপার ছিনতাই এবং হামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মৃধা ও সাধারণ সদস্য প্রার্থী লাল আহত হওয়ায় বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের ইন্দেরহাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ওলিউল আলম। এছাড়াও কয়েকটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনায় সাময়িকভাবে ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হয়।
কেন্দ্রে এজেন্ট প্রবেশ করতে না দেয়া ও বের করে দেয়ার অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন চাখার ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী শাহানাজ পারভীন দুলু, বাইশারী ইউনিয়নে নাসির উদ্দীন খোকন রাঢ়ী ও ইলুহার ইউনিয়নে আকতারুজ্জামান বিপ্লব।
গলাচিপা ও বাউফল : গলাচিপার ডাকুয়া ইউপির পশ্চিম পাড়ডাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। হোগলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সংঘাতের কারণে এ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকলেও দুপুর ১২টার দিকে আবার শুরু হয়।

ডাকুয়ায় বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান, রতনদি তালতলী ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল আলম মোল্লা ও আমখোলা ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী মো. কামাল হোসেন সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। গজালিয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাইমুল ইসলাম ও বকুলবাড়িয়ায় ইউসুফ হোসেন মোল্লাও ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তারা কারচুপিসহ নানা অভিযোগ তোলেন।

কেন্দ্র দখল ও কারচুপির অভিযোগ এনে বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী ফোরকান আকন, কনকদিয়া ইউনিয়নে সরোয়ার হোসেন জাহাঙ্গীর, নওমালায় মো. আনোয়ার হোসেন, কালিশুরি ইউনিয়নে মো. রায়হান জব্বার, ধূলিয়ায় আবদুল জব্বার, চন্দ্রদ্বীপে মো. বাবুল খান, কেশবপুরে শহীদ মুন্সী, বগা ইউনিয়নে গনি সিকদার ও কালাইয়া ইউনিয়নে মো. নূর হোসেন খান ভোট বর্জন করেছেন।

চন্দ্রদ্বীপে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমির হোসেন হাওলাদার বিদ্রোহী প্রার্থী এনামুল হক আলকাসের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন। কেশবপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী তসলিম তালুকদার, কাছিপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. পিকু ও বগায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. এসএম ইউসুফও ভোট বর্জন করেন।

কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়ণপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও সূর্যমণি ইউনিয়নের নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হামলায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ : দুপুরে সদর উপজেলার যশোদল মাদ্রাসা কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ভোট গ্রহণ কিছুক্ষণ স্থগিত থাকে।
নরসিংদী : পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মো. ইকবাল অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছেন। এর আগে গজারিয়ায় বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান লাল মিয়া নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
ভোলা, লালমোহন, দৌলতখান ও চরফ্যাশন : জেলা সদরের আলোচিত উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী মো. রাইসুল আলম সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জন করেন। এদিন দুপুর না হতেই আরও ৩ (বিএনপি ১, স্বতন্ত্র ২) এবং জেলায় ইসলামী আন্দোলনের ৩৫ জনই নির্বাচন বর্জন করেন। বাপ্তা ইউনিয়নের মুছাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘাতের কারণে এক ঘণ্টা ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকে। লালমোহনের ধলিগৌরনগর ইউপিতে মেম্বার প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এদিন সাময়িকভাবে ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে ১০ কেন্দ্রে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয় ৩টি কেন্দ্রে। দৌলতখানে ৩টি ভোট কেন্দ্র স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দুটি কেন্দ্রে এক ঘণ্টা পর ফের চালু করা হয়। চরফ্যাশনে বাবুরহাট কেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাই বাবুল হাওলাদারের নেতৃত্বে কেন্দ্র দখল করে সিল মারা নিয়ে হামলায় এক ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল।
শেরপুর ও নালিতাবাড়ী : নালিতাবাড়ীর মরিচপুরান ইউনিয়নের মরিচপুরান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দু’পক্ষের সংঘর্ষের কারণে আধা ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকার পর ফের শুরু হয়।
কুমিল্লা : দেবিদ্বারে রাজামেহার ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল ইসলাম মাস্টার ও এলাহাবাদের কাজী মাসুদ হাসান নির্বাচন বর্জন করেছেন। ফতেহাবাদ ইউনিয়নের বড়কান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। ভোনী ইউনিয়নের খিরাইকান্দি ইমাম উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিতসহ প্রিসাইডিং অফিসার জাকির হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। রসুলপুর ইউপির রউফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহিংসতায় কিছুক্ষণ ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকে।
নোয়াখালী : দুপুর ১২টায় চর জব্বর ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী আবদুল্লাহ মিয়া অনিয়ম ও কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করেন। এছাড়া একই ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর হাসান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীদের ব্যালট পেপার ছিনতাই ও জাল ভোট দেয়ার ঘটনায় উপজেলা নির্বাচন কমিশনার কেন্দ্র দুটি স্থগিত করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : বাঞ্ছারামপুরের সলিমাবাদ ইউনিয়নের সাতবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহিংসতায় ভোট গ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। কারচুপির অভিযোগে বাঞ্ছারামপুরের ছয়টি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এরা হলেন ছলিমাবাদের বিল্লাল হোসেন, তেজখালীর আবদুর রাজ্জাক, রূপসদীর দেলোয়ার হোসেন, ফরিদাবাদের মো. ছালাউদ্দিন, মানিকপুরের ফজলুল হক ও দরিদাকান্দির আবদুল করিম।
বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটির ভোট গ্রহণ স্থগিত করেন প্রিসাইডিং অফিসার। আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা ইউপির ভোট বর্জন করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল হাসান মোবারক। নির্বাচন বর্জন করেন তারুয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বাদল সাদির।
মাদারীপুর : শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি ইউপিতে চর শেখপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আক্কাছ মোল্লা ভোট বর্জন করেছেন।
সিলেট : সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউপিতে আখালিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুবলীগের হামলার ঘটনায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।  
রামগতি (লক্ষ্মীপুর) : বিভিন্ন অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন হাজিরহাট ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী ফরহাদ হোসেন মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান, ফলকন ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওদুদ হাওলাদার, তোবারগঞ্জ ইউনিয়নে মোসলেহ উদ্দিন, পাটারিরহাট ইউনিয়নে অধ্যাপক জামাল উদ্দিন তালুকদার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মাকছুদের রহমান। দুপুরে একই অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন রামগতি উপজেলার চর বাদাম ইউনিয়নের বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা এহেতেশামুল হক, চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল পাশা।
রাঙ্গুনিয়া : চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউপিতে কারচুপির অভিযোগ তুলে ফলাফল স্থগিত চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মজিবুল হক।
ফুলপুর : সিংহেরশ্বর ইউপির বনুয়াকান্দা দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ব্যালট পেপার চুরির ঘটনায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।
বরগুনা : পাথরঘাটায় ৩ ইউপিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী, এম বালিয়াতলী ইউপিতে স্বতন্ত্র দু’জন, বিএনপির একজন, ইসলামী আন্দোলনের একজন এবং বুড়িরচরে বিএনপির একজন ও স্বতন্ত্র একজন ভোট বর্জন করেছেন।
সাতক্ষীরা : ভোট বর্জনকারী হলেন বিএনপির প্রার্থী ধুলিহর ইউনিয়নের মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, কলারোয়ার যুগিখালির একই দলের রবিউল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ওজিয়ার রহমান ও  কালীগঞ্জের মৌতলা ইউনিয়নের আবদুর রাজ্জাক।
রাজাপুর (ঝালকাঠি) : ৪টি ইউপিতে বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
স্বরূপকাঠি : সারেংকাঠি ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নজরুল ইসলাম সকালে ভোট বর্জন করেন। সমদেয়ে জেপির প্রার্থী নাজমুল ইসলাম সায়ীদ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জিয়াউদ্দিন তৌহিদ, সোহাগদলে বিএনপির কবীর হোসেন, শুঠিয়াকাঠিতে বিএনপির আতিকুল ইসলাম লিটু ও আটঘর কড়িয়ানায় বিএনপির জাকির হোসেন ভোট বর্জন করেন।
মুন্সীগঞ্জ ও সিরাজদিখান : সিরাজদিখানে বিএনপির ৪ ও এক স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জন করেন।

সূত্র- যুগান্তর

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

উপরে