আপডেট : ২ মার্চ, ২০১৬ ১৯:০৮

বাগেরহাটে মা-ছেলের লড়াই

বিডিটাইমস ডেস্ক
বাগেরহাটে মা-ছেলের লড়াই

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার রাঢ়ীপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে তার ছেলে। এ ঘটনায় জেলাব্যাপী  চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের স্ত্রী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বর্তমান চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম ও তার ছেলে মেহেদী হাসান বাবু স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যাচাই-বাছাইয়ে তাদের উভয়ের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আর কোনো প্রার্থী নেই। মেহেদী হাসান বাবু বলেন, আমার জনপ্রিয়তার জায়গা থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু মনোনয়নপত্র বাতিল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। সেখানে ব্যর্থ হয়ে আমাকে অনেক চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। এখনও হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি আমার বাগেরহাট শহরের বাসা থেকে আমার স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে।

মেহেদী হাসান বাবু বলেন, তার বাবা কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে প্রার্থী হতে হয়েছে। নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা দেয়ার পর থেকে কচুয়া থানায় তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা দেয়া হয়েছে। তিনি এখনও আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানান।

বাবু আরও বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তিনি ছোটবেলা থেকে জড়িত। যে কোনো  কর্মসূচিতে তিনি সবার আগে থাকেন। এমনকি প্রতিপক্ষের হাতে তিনি কয়েক বার আহত হয়েছেন বলে জানান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার মায়ের ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালানোর ক্ষমতা নেই। বাবা সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ চালান। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। তাসলিমা বেগম মুঠোফোনে বলেন, আমার ছেলে বাবু পরিবারের কারো কথা শোনে না। ওর এখন মাথা খারাপ। এ ছাড়া তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে তৎকালীন রাঢ়ীপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম মাহফুজুর রহমান কচুয়া  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন হন। পরে ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনে এসএম মাহফুজুর রহমানের স্ত্রী তাসলিমা বেগম বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

উপরে