আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৫:৫০

শ্বাশুড়ির ছোড়া কুপির আগুনে দগ্ধ তাহমিনা মারা গেলেন

বিডিটাইমস ডেস্ক
শ্বাশুড়ির ছোড়া কুপির আগুনে দগ্ধ তাহমিনা মারা গেলেন

বাঁচানো গেল না অগ্নিদগ্ধ তহমিনা খাতুনকে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে সোমবার ভোরে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পীরগাছা থানা পুলিশ।

পীরগাছা থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল আহমেদ বিডিটাইমস৩৬৫ডটকমকে জানান, রংপুরের পীরগাছায় চৌধুরানীর দাদন গ্রামে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গৃহবধু তাহমিনার সাথে শ্বাশুড়ি আলেমা খাতুন যৌতুকের দাবীতে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তার শরীরে জ্বলন্ত কুপি ছুড়ে দেয়।

এতে কুপির কেরোসিন তার শরীরে ছড়িয়ে আগুন ধরে যায়। অবস্থার অবনতি হলে ঘটনার ৫ ঘন্টার পর ভোরে তাঁকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকেই স্বামী মান্নানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তাহমিনার শ্বাশুড়ি আলেমা বেগম, শ্বশুড় মোনতেজার মিয়া ও ননদ ফরিদা বেগম পলাতক রয়েছে।বাকীদের গ্রেপ্তারের জোড় প্রচেষ্ঠা চালাচ্ছে পুলিশ বলে জানান তিনি।

দগ্ধ গৃহবধুর খালা রহিমা খাতুন জানান, বৃহস্পতিবার দিনের বেলা তাহমিনার শ্বশুড় মমতেজার রহমান শাশুড়ি আলেমার মধ্যে ঝগড়া হলে শ্বশুড় শাশুড়িকে ঘরের মধ্যে তালাবদ্ধ করে চলে যায়। সন্ধায় পুত্রবধু তাহমিনা দরজা ভেঙ্গে শাশুড়ীকে বের করে। এ নিয়ে সন্ধা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সেখানে শ্বশুড় শাশুড়ী, স্বামী ননদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে শাশুড়ী হাতে থাকা জলন্ত কুপি ছুড়ে মারলে সেটি গিয়ে পুত্রবধু তাহমিনার গায়ে লেগে আগুন ধরে যায়।

তিনি জানান, আগুন ধরে গেলেও তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি কেউ। তিনি বলেন, বিয়ের পর থেকেই শশুড়-শাশুড়ি স্বামী মিলে তাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতো । অবশেষে সে মারা গেল আজ। তিনি বলেন, আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই। 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে