আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২০:৪৪

বরিশাল নগরীতে ডিজিটাল হোল্ডিং প্লেট কার্যক্রম বন্ধ

বিডিটাইমস ডেস্ক
বরিশাল নগরীতে ডিজিটাল হোল্ডিং প্লেট কার্যক্রম বন্ধ

বরিশাল মহানগরীতে ডিজিটাল হোল্ডিং প্লেট কার্যক্রম শুরু হলেও অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোয় ১৫ দিনের মাথায় বন্ধ হয়ে গেছে।ফলে ঘরে বসে হোল্ডিংয়ের তথ্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন পূর্বে মহানগরীতে ডিজিটাল প্লেট বসানোর জন্য সিটি করপোরেশনের সঙ্গে ‘আরবান ডেভলপমেন্ট এন্ড রুরাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে ডাটা সংগ্রহ সহ সকল কাজ শেষ করে সিটি কর্পোরেশনের ওয়েব সাইটের সাব-ডোমেইন ব্যবহার করে সকল তথ্য সংযুক্ত করতে হবে। এজন্য হোল্ডিং প্রতি ফি ধরা হয় ২৫০ টাকা।

কিন্তু কাজ শুরুর কয়েকদিনের মাথায় গুজব রটে যে, হোল্ডিংয়ের জন্য ২৫০ টাকা ছাড়াও আলাদা কর দিতে হবে। এরকম বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারণে বাড়ীর মালিকরা তথ্য সংগ্রহকারীদের তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

এ কার্যক্রমের অর্গানাইজার জামালউদ্দিন ঢাকার উত্তর ও দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একই কাজ চলছে জানিয়ে বলেন,  সেখানে প্রতিটি হোল্ডিংয়ে ডিজিটাল প্লেট বসানো হচ্ছে। এই জন্য খরচ হিসেবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিংয়ে মালিকদের কাছ থেকে নেয়া হয় ৩৭০ টাকা। একইভাবে উত্তর সিটি কর্পোরেশনে নেয়া হচ্ছে ৩৬৫ টাকা।

বরিশাল নগরীতে অনেক কম নেয়ার পরেও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারের শিকার না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বরিশাল নগরবাসীর কাছ থেকে ডিজিটাল প্লেট বসানোর সময় ওই ২৫০ টাকা রশিদের মাধ্যমে নেয়া হবে।

তিনি বলেন, সবকিছু অনলাইনে এলে দ্রুত যেকোন নাগরিক সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়াও এর মাধ্যমে প্রত্যেক হোল্ডিং মালিকগনকে দেয়া হিসাব নম্বরের বিপরীতে সহজেই নগর কর জমা দিতে পারবেন। যে কোন দেশ থেকে হোল্ডিংয়ের অবস্থানসহ তথ্যাবলি জানতে পারবেন। এতে বাসা ভাড়া দেয়া বা বিক্রিসহ সকল কার্যক্রম দ্রুত ও সহজ হবে।

এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল বিডিটাইমস৩৬৫ কে বলেন, একটি চক্র এ বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার আমরা এ সংক্রান্ত একটি মিটিং করবো। আশাকরি খুব শিগগির কাজ শুরু করতে পারবো।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

 

উপরে