আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৭:০৮

চার শিশুর হত্যাকারীদের তথ্য দিলে পুরস্কার

বিডিটাইমস ডেস্ক
চার শিশুর হত্যাকারীদের তথ্য দিলে পুরস্কার

হবিগঞ্জের বাহুবলে চার শিশুর হত্যাকারীদের সম্পর্কে তথ্যদানকারীকে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট অঞ্চলের পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মিজানুর রহমান।

বুধবার ওই চার শিশুর লাশ উদ্ধারের পরপরই ডিআইজি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘোষণা করেন।

খুনিদের তথ্য প্রদানকারীর নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে ডিআইজি জানিয়েছেন। এটি একটি চরম লোমহর্ষক ঘটনা উল্লেখ করে ডিআইজি বলেন, ‘আমি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করেছি। বড়দের মধ্যে গ্রাম্য বিরোধ নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।’

নিহতরা হলো : উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের অন্তর্গত সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে স্থানীয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই আব্দুল আজিজের ছেলে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তাজেল মিয়া (১০), আবদাল মিয়ার ছেলে প্রথম শ্রেণির মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)।

র‍্যাব জানিয়েছে, নিখোঁজ হবার পাঁচ দিন পর এ শিশুদের মরদেহ পাওয়া গেল। মরদেহগুলো গলা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। সুন্দ্রাটিকি গ্রামের এক মাঠে ওই শিশুদের মরদেহ পুঁতে রাখা ছিল বলে জানাচ্ছে র‍্যাব। গত শুক্রবার এই চারজন শিশু তাদের বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গেলে তার পর আর তারা বাড়ি ফেরেনি।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশের মাঠে খেলাধুলা করতে গিয়েছিল শুভ, তাজেল, মনির ও ইসমাইল। কিন্তু বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তারা বাসায় ফেরেনি। তাদের স্বজনরা এতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আর আতঙ্কে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। কিন্তু কোথাও তাদের খুঁজে না পেয়ে শুক্রবার রাতেই উপজেলার সব জায়গায় মাইকে নিখোঁজের বিষয়টি প্রচার করে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ওই চার শিশুর সন্ধান না পেয়ে জাকারিয়া আহমেদ শুভর বাবা ওয়াহিদ মিয়া বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে